shono
Advertisement

Breaking News

Ajit Pawar

স্ত্রী-সন্তান নাকি অন্য কেউ! অজিতহীন এনসিপির হাল ধরবেন কে? লড়াইয়ে পাঁচ নেতা

আচমকা অজিত 'দাদা'র মৃত্যু। অভিভাবকহীন এনসিপি। এই পরিস্থিতিতে উপমুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসবেন কে?
Published By: Subhajit MandalPosted: 11:23 AM Jan 29, 2026Updated: 11:23 AM Jan 29, 2026

আচমকা অজিত 'দাদা'র মৃত্যু। অভিভাবকহীন এনসিপি। এমনিতে যে কোনও আঞ্চলিক দলের জন্যই প্রতিষ্ঠাতা বা তাঁর স্পষ্ট উত্তরাধিকারী থাকাটা জরুরি। সেটা না হলে আঞ্চলিক দলের পক্ষে অস্তিত্ব বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়। অতীতে বহু রাজনৈতিক দলের অবলুপ্তি বা অবক্ষয়, এই তত্ত্বই প্রতিষ্ঠিত করে। অজিতের মৃত্যুর পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে এনসিপির অস্তিত্ব বাঁচানো যাবে তো? কারণ মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত অজিত ছিলেন রাজনীতির মধ্যগগনে। কাকা শরদ পওয়ারের ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে সবে স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছিলেন। আলাদাভাবে নিজের পরিচয় তৈরি করছিলেন। সমস্যা হল, এখনও নিজের উত্তরসূরি হিসাবে কাউকে তুলে ধরতে পারেননি তিনি। বলা ভালো চেষ্টাও করেননি।

Advertisement

কিন্তু তাঁর আচমকা প্রয়াণে সেই উত্তরসূরি বাছাই জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ শুধু তো দল চালানো নয়, সরকারের প্রতিনিধিত্ব, উপমুখ্যমন্ত্রী পদ বা অজিতের হাতে থাকা মন্ত্রক সবই বণ্টন করতে হবে। ফলে স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠছে 'দাদা'র জায়গাটা নেবেন কে? এনসিপির নেতা বা মহারাষ্ট্রের নতুন উপমুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে কে বসবেন।

এই লড়াইয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা। স্বামীর মৃত্যুর পর দলের হাল ধরার ক্ষেত্রে তাঁর অ্যাডভান্টেজ হল সহমর্মিতা। অন্তত প্রাথমিকভাবে দলে ভাঙন রুখতে হল সুনেত্রা বা পওয়ার পরিবারের কাউকেই হাল ধরতে হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সমস্যা হল সুনেত্রা রাজনীতিতে এখনও নিতান্তই শিক্ষানবিশ। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন নিজেরই ননদ সুপ্রিয়া সূলের বিরুদ্ধে। কিন্তু হেরে যান। তারপর তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠান অজিত। সেখানেও অভিজ্ঞতা সামান্য। সুনেত্রা আদৌ দল এবং সরকার সামলাতে পারবেন কিনা সংশয় রয়েছে। অজিতের বড় ছেলে পার্থ পাওয়ারও বাবার উত্তরসূরি হওয়ার লড়াইয়ে রয়েছেন। তবে তিনিও রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পার্থ লড়েছিলেন। তিনিও শিব সেনার কাছে হারেন। তারপর আর সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। সদ্য একটি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে তাঁর। নেতা হিসাবে তাঁরও একমাত্র পুঁজি বাবার মৃত্যুর সহমর্মিতা। একই সমস্যা অজিতের ছোট ছেলে জয় পওয়ারের ক্ষেত্রেও। তিনিও কোনওদিন সক্রিয় রাজনীতিতে ছিলেন না। সেভাবে জনসক্ষে দেখা যায়নি তাঁকে। ফলে তাঁর সম্ভাবনাও কম।

তবে পরিবারের বাইরে দু'জন প্রভাবশালী নেতা আছেন যারা দলের হাল ধরতে পারেন। একজন প্রফুল্ল প্যাটেল। মহারাষ্ট্র ও দিল্লির রাজনীতিতে পরিচিত নাম। একাধিকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকেছেন। অজিতের অনুপস্থিতিতে দলের হাল ধরার ক্ষেত্রে তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে। তবে দলের কর্মী বা সমর্থকদের মধ্যে তিনি সেভাবে জনপ্রিয় নন। আর একজন বর্ষীয়ান নেতা সুনীল ততকারে দলের হাল ধরতে পারেন। তবে তাঁরও অজিতের মতো জনপ্রিয়তা নেই। এই পরিস্থিতিতে এনসিপি নেতাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হতে পারেন বৃদ্ধ শরদ পওয়ার। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে ফের যদি তাঁরা মারাঠা স্ট্রংম্যানের দ্বারস্থ হন তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement