প্রেম ভাঙার পরেই অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে ফেলেছেন প্রেমিক। তা নিয়ে রাগে সেই মহিলার শরীরে এইচআইভি-র ইঞ্জেকশন দিলেন এক তরুণী! শুধু তা-ই নয়, ইঞ্জেকশন দেওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিলেন তিনি। চক্রান্ত করে প্রথমে পথ দুর্ঘটনার কবলে ফেলেছিলেন ওই মহিলাকে। তারপর সুযোগ বুঝে ইঞ্জেকশন দেন।
অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সেই তরুণী এবং তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতেরা হলেন বোয়া বসুন্ধরা, কোঙ্গে জ্যোতি এবং তাঁর দুই সন্তান। একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসাবে কর্মরত জ্যোতি। তাঁর সাহায্য নিয়েই এইচআইভি আক্রান্ত এক মহিলার রক্ত জোগাড় করেছিলেন বসুন্ধরা। পরে সেই রক্তই তিনি প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে প্রবেশ করিয়েছেন বলে অভিযোগ।
গত ৯ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিলেন বসুন্ধরার প্রাক্তন প্রেমিকের স্ত্রী। সেই সময় দুই ব্যক্তি বাইক নিয়ে তাঁর সামনে এসে পড়েন। সংঘর্ষও হয়। তাতে চোট পান ওই মহিলা। তখনই সাহায্য করতে এগিয়ে যান বসুন্ধরা ও তাঁর সহযোগীরা। অভিযোগ, ওই মহিলাকে যখন অটোতে তোলা হচ্ছিল, সেই সময় তাঁর শরীরে এইচআইভি-র ইঞ্জেকশন দিয়ে পালিয়ে যান বসুন্ধরা। তাঁর সঙ্গে কিছু একটা ঘটেছে, আন্দাজ করতে পেরেই তিনি স্বামীকে ফোন করেন। সেই যুবকও পেশায় চিকিৎসক। পরে তিনিই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলা যে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন, তার নেপথ্যেও অভিযুক্ত তরুণীই রয়েছেন। তার আগে তিনিই সরকারি হাসপাতাল থেকে এইচআইভি আক্রান্তের রক্ত সংগ্রহ করেছিলেন। তার পর সংরক্ষণও করেছিলেন সেটিকে।
