উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। এবার সেই প্রশাসনিক ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রখ্যাত মার্কিন বেদজ্ঞ ডক্টর ডেভিড ফ্রলি। লখনউয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎকারে ফ্রলি সাফ জানালেন, যোগী আদিত্যনাথ আসলে রাজনীতিকে ‘শুদ্ধ’ করছেন। নাথ ঐতিহ্যের এই ধারা বিশ্বকল্যাণের এক নতুন পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করেন এই পদ্মভূষণ প্রাপক স্কলার।
শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের রাজধানীতে এই দুই ব্যক্তিত্বের আলোচনায় উঠে আসে যোগ, আয়ুর্বেদ এবং সনাতন সংস্কৃতির নিগূঢ় তত্ত্ব। ডক্টর ফ্রলির মতে, গোরক্ষপীঠের মহন্ত হিসেবে যোগী কেবল একটি ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা করছেন না, বরং বৈদিক জ্ঞানকে আধুনিক বিশ্বের উপযোগী করে তুলছেন। মুখ্যমন্ত্রীর বহুমুখী ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, শরীর, মন এবং সমাজ— এই তিনের সার্বিক মঙ্গলে যোগীর কাজ অতুলনীয়।
সবচেয়ে বেশি আলোকপাত করা হয়েছে অযোধ্যার ভোলবদল নিয়ে। মার্কিন এই পণ্ডিতের ভাষায়, অযোধ্যার এই নবজাগরণ আসলে বেদের যুগে ফিরে যাওয়ার সামিল। শ্রীরামচন্দ্র ভারতের আত্মা। সেই গৌরবকে যেভাবে যোগী সরকার পুনরুজ্জীবিত করেছে, তা বিশ্বজুড়ে আধ্যাত্মিক চেতনার খরা কাটাতে সাহায্য করবে। ফ্রলি মনে করেন, বর্তমান অস্থির সময়ে যোগী আদিত্যনাথের মতো তেজস্বী নেতৃত্ব কেবল ভারতের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।
উইসকনসিনের এক ক্যাথলিক পরিবারে জন্মালেও গত কয়েক দশক ধরে হিন্দুত্ব ও বৈদিক দর্শনের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত ডেভিড ফ্রলি। তাঁর মতে, ‘আদিত্য’ বা সৌরশক্তির তেজে দীপ্ত যোগী আদিত্যনাথের সান্নিধ্য পাওয়া এক বিরল অভিজ্ঞতা। ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যগুলো যোগীর হাত ধরেই আজ বিশ্বমঞ্চে নতুন প্রাণশক্তি ফিরে পাচ্ছে। রাজনীতির আঙিনায় এই আধ্যাত্মিক ছোঁয়া আসলে এক বৃহত্তর সদর্থক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন তিনি।
