আরও বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মোটর ভেহিক্যাল অ্যাক্ট লঙ্ঘন করার অভিযোগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের। কালীঘাট থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রাজীব সরকার নামে বাগুইআটির এক বাসিন্দা তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। ওই ব্যক্তি তাঁর অভিযোগপত্রে অভিষেকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, অভিষেকের গাড়িতে দু'জন নিরাপত্তারক্ষী বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করেন। যা ভেহিক্যাল অ্যাক্টের পরিপন্থী। ওই ব্যক্তির দাবি, দ্য মোটর ভেহিক্যাল অ্যাক্ট (১২৩ ধারা) অনুযায়ী, চলন্ত গাড়িতে চালক কিংবা আরোহীর কেউ ঝুলে ঝুলে যাতায়াত করতে পারেন না। দ্বিতীয়ত ১৮৪ ধারা অনুযায়ী, চলন্ত গাড়িতে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এই ঘটনায় অভিষেকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী। ভারতীয় ন্য়ায় সংহিতায় অভিষেকের বিরুদ্ধে ২৮১, ১২৫, ২২৩ এবং ৩(৫) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভূরি ভূরি। দীর্ঘদিন ইডি-সিবিআইয়ের স্ক্যানারে তিনি। তৃণমূলের এই ভাঙনের মরশুমে তাঁর অস্বস্তি বাড়িয়েছে সই জাল কাণ্ড এবং ডিজে মন্তব্য মামলা। পরপর তিনবার সিআইডি হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। পরে অবশ্য সই জাল মামলায় দু’বার ভবানীভবনে হাজিরা দেন অভিষেক। ডিজে মন্তব্য মামলাতেও সিআইডি তলবে সাড়া দেন। এই মামলায় অবশ্য ক্রমশ চাপ বাড়ছে তাঁর। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে যান।
এদিকে, আবার কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয়র দায়ের করা মানহানি মামলায় অভিষেকের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। সেবাশ্রয় নিয়েও উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। তার মাঝে আবার নতুন এফআইআর। অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্রমশ আইনি জট যে বাড়ছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
