কলকাতার বুকে নকল অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা! সেই অ্যাপটি মোবাইলে ইনস্টল করলেই ব্যাঙ্ক থেকে ব্যক্তিগত সমস্ত তথ্য চলে যাচ্ছিল প্রতারকদের হাতে। কার্যত মোবাইলের কন্ট্রোল পেয়ে যাচ্ছিলেন প্রতারকরা। সেই তথ্য ব্যবহার করে চলত আর্থিক লুঠও। এই সংক্রান্ত অভিযোগ পেয়ে মহশেতলা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন বিহারের বাসিন্দা। আরেকজন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে, এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত কিনা, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
শহরে ভুয়ো অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ আসছিল পুলিশের কাছে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয। তাঁদের জেরা করে এই চক্রের মাথাদের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। তারপরই শনিবার অভিযান চলে। অভিযানে অভিমন্যু কুমার ওরফে রাজা, মহম্মদ সমর, নীরজ কুমার, মহম্মদ ইমরান ও সেজান ফিলিপস নামে ৫ তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেজান মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। বাকিরা বিহারের বাসিন্দা। ধৃতদের থেকে ১০টি ল্যাপটপ, ২৪টি ফোন, ২টি রাউটার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। কীভাবে চলত প্রতারণা?
ধৃতরা ভুয়ো অ্যাপ তৈরি করে প্রচার করত। সোশাল মিডিয়া ও অন্যান্য জায়গায় বিজ্ঞাপন দিয়ে অ্যাপের প্রচার চালাত তাঁরা। কোনও ইউজার সেই অ্যাপটি ফোনে ডাউনলোড করলেই 'কেল্লাফতে'! প্রতারিত ব্যক্তি অ্যাপটি ডাউনলোড করলেই ফোনের সমস্ত কন্ট্রোল চলে যাচ্ছিল প্রতারকদের কাছে। ব্যাঙ্কের তথ্য থেকে সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য চলে যেত ধৃতদের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার তদন্ত চলছে।
