লক্ষ্য ছাব্বিশে বাংলা দখল। স্বাভাবিকভাবেই প্রচারে ঝাঁপিয়েছে সব রাজনৈতিক দল। তৃণমূলের কথা অনুযায়ী বাংলায় 'ডেলি প্যাসেঞ্জারি' শুরু করেছেন মোদি-শাহ। কয়েকদিনের ব্যবধানে ফের কলকাতায় এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাতে হোটেলে পৌঁছেই রাজ্যের তিন শীর্ষ নেতা অর্থাৎ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক সারেন তিনি। সেখানে ছিলেন বাংলার পর্যবেক্ষকরাও।
ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কয়েকমাস আগেই বঙ্গ সফর শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। মন্দিরে গিয়েছেন, সভা করেছেন। মূল উদ্দেশ্য একটাই, বাংলার মানুষের মন বুঝে সেই মতো করে রণকৌশল ঠিক করা। শুক্রবার রাতে ফের কলকাতায় এসেছেন অমিত শাহ। হোটেলে পৌঁছেই তিন শীর্ষ নেতা ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদার বৈঠক করে তিনি। ঠিক কী আলোচনা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে কথা বলেছেন শাহ। বাংলার কোথায় কী অবস্থা সংগঠনের তা খুটিয়ে খুটিয়ে জেনেছেন।
শনিবার দিনভর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে শাহের। এদিন সকাল ১১ টা নাগাদ বারাকপুর যাবেন তিনি। আনন্দপুরী মাঠে কর্মী সম্মেলন করলেন। সেখানে বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট ও বারাকপুর-এই চার সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা থাকবেন। ছাব্বিশে বাংলায় বিজেপির মাটি শক্ত করতে কী করতে হবে, কী না, তা এদিন স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেবেন খোদ শাহ। এরপর উড়ে যাবেন শিলিগুড়ি। বিকেলে এয়ারফোর্স ময়দানে কর্মী সম্মেলন করবেন তিনি। বিকেলে চলে যাবেন দিল্লি। শাহের এই বারবার সফরেই স্পষ্ট বঙ্গ বিজেপির উপর বিশেষ ভরসা করতে পারছে না শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই কারণেই ছুটে আসতে হচ্ছে খোদ মোদি-শাহকে। কিন্তু তাতেও কী লাভ হবে? উত্তর মিলবে ভোটবাক্সে।
