রাজ্যে পালাবদলের পরে পাহাড়ের উন্নয়নের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল আমলে পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গে উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ-তে দুর্নীতির অভিযোগও সামনে এসেছে। পাহাড়ে এবার উন্নয়ন হবে, গতকাল, সোমবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে সেই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে কলকাতায় গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। আজ, মঙ্গলবার কলকাতায় এসে এই গোর্খা নেতা মন্দিরে পুজোও দেন।
পাহাড়ের উন্নয়নে বড় বার্তা দিচ্ছেন জিএনএলএফ নেতা বিমল গুরুংও। পাহাড়ে বিজেপির সঙ্গী হিসেবেই রয়েছেন বিমল গুরুংরা। প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ে বিজেপির প্রচার ও জনসংযোগের ভার অনেকটাই ছিল গুরুংয়ের উপর। পাহাড়ে বিপুল জনসমর্থন পেয়ে জয় পায় বিজেপি। কাঞ্চনজঙ্ঘার কোলে ওড়ে গেরুয়া আবির। শুধু তাই নয়, বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ে পদ্ম ফোটানোর অন্যতম কারিগর এই গোর্খা নেতা। তৃণমূলকে পাহাড়ে কার্যত ‘ওয়াশ আউট’ করার নেপথ্যেও তিনি। এমনই মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল।
বিজেপির সঙ্গে পাহাড়ে উন্নয়নের ডাক দিয়েছেন এই গোর্খা নেতা। তৃণমূল আমলে জিটিএ দুর্নীতির ফাইল খোলার দাবিও জানাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি পাহাড়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এক মঞ্চে দেখাও গিয়েছিল গুরুংকে। মঞ্চেই শুভেন্দু-গুরুং একে অপরকে জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। পাহাড়ের উন্নয়নের দিক, গতি-প্রকৃতি নিয়ে কথা বলতে বিমল গুরুং কলকাতায় এলেন।
বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠনের পরে বিমল গুরুংয়ের প্রভাব পাহাড়ে ফের বাড়ছে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাও অক্সিজেন পেয়েছে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই মুহূর্তে পাহাড়ে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীও দেখা যাচ্ছে না। ভোটে হেরে অজয় এডওয়ার্ড ও অনীত থাপারা এখন কার্যত ঘরবন্দি। এদিকে পাহাড়ে একাধিক কর্মসূচি করছেন গুরুং।
