সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর চড়ালেন বিজেপি নেতারা। লক্ষ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন। রাজ্য প্রশাসনের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে বিজেপি নেতৃত্ব আক্রমণ শানায়।
[ এটিএম থেকে বেরোল ২০০০ টাকার পোড়া নোট, রাজ্যে বিভ্রান্তি ]
এদিনের সভা থেকে রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় তৃণমূল সরকারের বিদায়ের ডাক দেন। জানান, “রাজ্যে বিজেপির সমর্থন ক্রমশ বাড়ছে। মমতার নীতির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধেই বিজেপির লড়াই। সে লড়াইয়ে বহু মানুষ শামিল হচ্ছেন।” আগামীদিনে তা আরও বাড়বে বলেই মত তাঁর। অন্যদিকে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, “আজকের প্রতিবাদ সভায়, তারুণ্যের আগুনে ঝলসে যাচ্ছে তৃণমূল।” অভিযোগ করে তিনি জানান, “রাজ্যে বিজেপির কর্মীরা মার খেয়েছে। তা সত্ত্বেও কেউ পিছিয়ে যায়নি। কর্মীদের নানাভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ভেঙে দেওয়া হচ্ছে দলীয় কার্যালয়। তাতে কি বিজেপি আটকেছে? ফুটবল নিয়ে ইটের দেওয়ালে মারলে, দ্বিগুণ জোরে তা ফিরে আসে।” এদিন পাহাড় প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ। জানান, “দার্জিলিংয়ে আমাকে দেখে ভয় পেয়েছে তৃণমূল। গুণ্ডা লাগিয়ে আক্রমণ হয়েছে। কিন্তু পালিয়ে আসিনি।” এদিকে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়েও তৃণমূল সরকারকে একহাত নেন দিলীপ। বলেন, “কলকাতায় মিটিং-মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। রোহিঙ্গারা নাগরিকত্বের জন্য মিছিল করছে। পুলিশ নিরাপত্তা দিচ্ছে। দেখে লজ্জা হয়। মদ খেয়ে মরলে এখানে দু’লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। হজ করলে দশ লক্ষ টাকা। কী ধরণের তোষণ এটা? দুর্গাপুজোর বিসর্জনে সমস্যা, সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এই বাংলাই কি আমরা চেয়েছিলাম?” নোটবন্দির বিরোধিতা করেছে রাজ্য সরকার। তা নিয়েও মমতা সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান দিলীপ।
দল ভাঙানোর অভিযোগ খারিজ করে এদিন মুকুল রায়কে বিজেপির কোচ হিসেবে মেনে নেন তিনি। প্রসঙ্গত দলে যোগ দিয়ে দিলীপকে ক্যাপ্টেন বলেছিলেন মুকুল। এদিনের সভা থেকে প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুর চড়ান মুকুলও। বক্তৃতায় তৃণমূল সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন রাহুল সিনহাও। এদিন বেশ কয়েকজন জেলা ও ব্লক স্তরের নেতা বিজেপিতে যোগদান করেন।
[ এরাজ্যেই সতীর ৫১ পীঠ দর্শনের সুযোগ, তারাপীঠে তৈরি হবে ৫১টি মন্দির ]
The post প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোরাল আক্রমণ বিজেপি নেতাদের appeared first on Sangbad Pratidin.
