Advertisement

‘চাপে পড়ে TMC-তে Mukul Roy, কোন মুখে বিধানসভায় আসবেন?’, তোপ Dilip Ghosh-এর

07:19 PM Aug 18, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধায়ক পদ খারিজের শুনানিতে গরহাজির মুকুল রায় (Mukul Roy)। তা নিয়েই ক্ষোভে ফুঁসছে বিজেপি। বুধবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুকুল রায়কে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির তারকা প্রার্থীদের নিয়েও মুখ খোলেন তিনি।

Advertisement

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ

বিজেপির (BJP) হয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল রায়। জিতেও যান। তবে তারপর বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। গেরুয়া শিবির ছেড়ে ফের ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখান সপুত্র মুকুল রায় (Mukul Roy)।

সপুত্র মুকুল রায়ের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন

আর তারপর থেকেই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Biman Banerjee) ঘরে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের শুনানি ছিল। তবে তার আগে সোমবার রাতেই বিধানসভায় চিঠি দিয়ে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, দলত্যাগ প্রসঙ্গে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর তিনি একমাস পর দেবেন। তার ফলে মাত্র ১৩ মিনিটেই শেষ হয়ে যায় শুনানি। তাতেই ক্ষোভে ফুঁসছে বিজেপি।

[আরও পড়ুন: ফের কলকাতায় গ্রেপ্তার ভুয়ো পুলিশ অফিসার, হেলমেট না পরাতেই পর্দাফাঁস]

সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বর্তমান তৃণমল নেতা মুকুল রায়কে খোঁচা দিতে গিয়ে নয়া ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, “মুকুল রায় বিধানসভা এড়িয়ে যাচ্ছেন। ওঁর ওখানে যাওয়ার মুখ নেই। তাই এড়িয়ে যাচ্ছেন। মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমরা আইনি পথে যাব। ও কোনও চাপে পড়ে তৃণমূলে (TMC) গিয়েছেন। কোন মুখে বিধানসভায় আসবে?”‌ আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে সংবিধানে নির্দিষ্ট ধারা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এর সমাধান করতে হবে। আমরা আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টে যাচ্ছি। বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমি যাচ্ছি।”

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

এদিন তারকা প্রার্থীদের নিয়ে কার্যত ক্ষোভপ্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, “সেলিব্রিটিরা আন্দোলন করেন না। মারও খান না। তাঁরা শোভা বাড়ান। যাঁরা দলের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত হতে চান, তাঁরা রয়েছেন। কেউ কেউ মনে করছেন থাকাটা ঠিক হচ্ছে না।”

[আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যার জন্য আগামী মাসের ছ’দিন বন্ধ থাকবে তারাপীঠ মন্দিরের দরজা]

Advertisement
Next