shono
Advertisement
CJP Protest

ছাত্রদের ছদ্মবেশে মিছিলে এন্ট্রি! ধর্মতলার অশান্তিতে গ্রেপ্তার আরও ২, পুনর্নির্মাণে পুলিশ

ওয়াকার আজম ও জাভেদ আখতারকে রবিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এনিয়ে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 01:22 PM Jul 27, 2026Updated: 02:47 PM Jul 27, 2026

ছাত্র নয়, শিক্ষাজগতের সঙ্গে তেমন সম্পর্কও নেই। অথচ নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে কলকাতায় বাম ছাত্র সংগঠনের মিছিলে ঢুকে পড়েছিল তারাই। আর মিছিল শেষে পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। গত শুক্রবার ধর্মতলায় পড়ুয়াদের মিছিলে ঢুকে অশান্তির অভিযোগে আরও দু'জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রবিবার রাতেই কড়েয়া থেকে বছর পঁয়ত্রিশের ওয়াকার আজম ও নাদিয়ার থেকে ৩২ বছরের জাভেদ আখতারকে জালে আনা হয়। সোমবার তাদের আদালতে পেশ করা হবে। অন্যদিকে, এদিন বেলার দিকে পুলিশ হেফাজতে থাকা পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে শুক্রবারের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে কলকাতা পুলিশ।

Advertisement

ধৃত খালেদ রেজা ও আফরোজকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে সেদিনের ঘটনাস্থল অর্থাৎ ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত নিয়ে যায় পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে মিছিল শেষে ঠিক কী কী ঘটেছিল, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নেওয়া হয় তাদের কাছ থেকে। কলকাতা পুলিশের এই টিমে ছিলেন বেশ কয়েকজন অফিসার। রীতিমতো নোট করে নেওয়া হয় ধৃতদের বয়ান।

শুক্রবার শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকে নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে মিছিলে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। পড়ুয়া, অভিভাবক ছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন আরো অনেক সাধারণ মানুষ। কিন্তু মিছিল শেষে নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী হয় প্রতিবাদের শহর কলকাতা। সাংবাদিকরা খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত হন। পুলিশকে লক্ষ্য করে উড়ে আসে জুতো, জলের বোতল, ইট। পুলিশ দক্ষ হাতে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই 'বহিরাগত', 'অপরাধী' বলে পুলিশের খাতায় আগে থেকেই নাম রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ধৃতের সংখ্যা ১৬। এর মধ্যে ১৪ জন দু'দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। সোমবার পুনর্নির্মাণের জন্য তাদের ৫ জনকে নিয়েই ঘটনাস্থলে গেল কলকাতা পুলিশ।

জানা গিয়েছে, ধৃত খালেদ রেজা ও আফরোজকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে সেদিনের ঘটনাস্থল অর্থাৎ ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত নিয়ে যায় পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে মিছিল শেষে ঠিক কী কী ঘটেছিল, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নেওয়া হয় তাদের কাছ থেকে। কলকাতা পুলিশের এই টিমে ছিলেন বেশ কয়েকজন অফিসার। রীতিমতো নোট করে নেওয়া হয় ধৃতদের বয়ান। তদন্তকারীদের অনুমান, সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত। তাদের সন্ধান চলছে। তবে একটা বিষয় সম্পর্কে পুলিশ প্রায় নিশ্চিত। ছাত্রদের ছদ্মবেশে সেদিনের মিছিলে ঢুকে দেশদ্রোহী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়া বেশিরভাগই সমাজবিরোধী। তবে কি মিছিলের উদ্দেশ্য বানচাল করতেই তাদের 'এন্ট্রি'? নাকি মিছিলের ভিড়ে মিশে আরও বড় কোনও ষড়যন্ত্রের ছক ছিল তাদের? উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement