shono
Advertisement
Coal Smuggling Case

ইডির জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি! ভোটের মুখে কয়লা পাচার মামলায় গ্রেপ্তার ২

সূত্রের খবর, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে। এরপরেই দুজনকে গ্রেপ্তার করে ইডি। 
Published By: Kousik SinhaPosted: 10:25 AM Feb 10, 2026Updated: 12:31 PM Feb 10, 2026

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)! কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggling Case) কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার জালে দুই কয়লা ব্যবসায়ী। ধৃত দুজনের নাম কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডল। ধৃত চিন্ময় কয়লা পাচার মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত লালার খুবই ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার গভীর রাতে দুই ব্যবসায়ী কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে ইডি। সূত্রের খবর, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে। এরপরেই দুজনকে গ্রেপ্তার করে ইডি।

Advertisement

পুরানো একটি কয়লা পাচার মামলায় এর আগে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়। মামলা গড়ায় হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এরপরেই কলকাতায় এসে আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর রাহুল নবীন। যেখানে কয়লা, বালি-সহ একাধিক হেভিওয়েট মামলার বিষয়ে বিস্তারিত বৈঠক সারেন। এরপরেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে গতি বাড়িয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত কয়েকদিনে একাধিক ব্যবসায়ীকে জেরা করা হয়েছে। সেই সূত্রেই চলতি মাসের তিন তারিখ আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেই।

দীর্ঘ তল্লাশিতে জামুরিয়ার এক ব্যবসায়ীর বাড়ির গুদামঘর থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেন তদন্তকারী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেদিনই বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই মামলাতেই সোমবার মনোরঞ্জন মণ্ডলকে তলব করল ইডি। যদিও তিনি হাজিরা দেননি বলেই খবর। একইসঙ্গে তলব করা হয় দুই কয়লা ব্যবসায়ী কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডলকেও। দফায় দফায় দুজনকে জেরা করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডলকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে। ইডি সূত্রে খবর, ধৃত কিরণ এক সময় কয়লা মাফিয়া হিসাবে কাজ করলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে কয়লা ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে

চিন্ময় কয়লা মাফিয়া, লালার খুবই ঘনিষ্ঠ একজন। ধৃত দুজনকে জেরা কয়লা পাচার মামলায় একাধিক তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, কয়লা পাচারের টাকা কার কার কাছে গিয়েছে সে বিষয়েও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement