shono
Advertisement
Sealdah

সুরেন্দ্রনাথ কলেজেই তৃণমূল নেতার বেডরুম! ব্যাগভর্তি টাকার পর উদ্ধার কন্ডোম-আগ্নেয়াস্ত্র, তদন্তের দাবি সজলের

এই ঘরে ওই তৃণমূল নেতাদের ম্যাসাজ দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এর পাশাপাশি কলেজের কমন রুম থেকে উদ্ধার করা হয় কন্ডোমের প্যাকেট।
Published By: Jaba SenPosted: 10:06 PM Jun 02, 2026Updated: 11:13 PM Jun 02, 2026

এ যেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে পড়ল বেডরুম! মঙ্গলবার বিকেলে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে ২ ব্যাগ ভর্তি উই পোকায় খাওয়া টাকা উদ্ধার হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলেজের ভিতরে হদিশ পাওয়া গেল দু'টি বেডরুমের। এই বেডরুমগুলি তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কানকাটা দেবু ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ। এই ঘরে ওই তৃণমূল নেতাদের ম্যাসাজ দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি এদিন কলেজেই উদ্ধার হয়েছে কন্ডোমের প্যাকেট ও আগ্নেয়াস্ত্র। 

Advertisement

টাকা উদ্ধারের পর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের মধ্যেই বেডরুমের হদিশ পাওয়ার ঘটনায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, টেরেস ফেসিলিটির নামে এই দু'টি বেডরুম উদ্বোধন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুটি বেডরুম ব্যবহার করতেন কলেজের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা তথা কলেজ পরিচালন সমিতির সদস্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, এই রুমেই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে ম্যাসাজ দিতে হত কলেজে চাকুরিরতদের। ঘরের চাবি থাকত বাবা-ছেলের কাছেই। যদিও এই অভিযোগ প্রসঙ্গে দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই বেডরুম সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। জানা গিয়েছে, এই দুই বেডরুমের মধ্যেই রয়েছে অ্যাটাচ বাথরুম, এসি, খাট, দামি বিছানা। আলমারিতে রয়েছে বালিশ। এছাড়াও কলেজের ছাদে মিলেছে একাধিক মদের বোতল। এদিন কলেজের কমন রুম থেকে কন্ডোমের প্যাকেট এবং ইউনিয়ন রুম থেকে কালো প্যাকেটে মোড়া একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ এসে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করেছে। 

এই বেডরুমের হদিশ মিলতেই কলেজে পৌঁছন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে এই সব বেডরুমকে 'ওয়ো রুম' বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর উপস্থিতিতেই কলেজের কমনরুম থেকে উদ্ধার করা হয় কন্ডোমের প্যাকেট। ইউনিয়ন রুম থেকে উই পোকায় খাওয়া টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সজল ইডি তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন। কলেজের দুর্নীতির টাকা কালীঘাট ও ক্যামাক স্ট্রিট পর্যন্ত যেত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সজল জানান, কলেজে দুর্নীতির টাকা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি হয়ে কালীঘাটে যেত। তারপর যেত ক্যামাক স্ট্রিটে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement