ফের চালু হচ্ছে সরাসরি কলকাতা থেকে কুনমিং বিমান পরিষেবা। ‘চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স’ ১৮ এপ্রিল অর্থাৎ পয়লা বৈশাখের পর থেকেই চালু করছে এই বিমান। মাত্র ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মধ্যেই কলকাতা থেকে পৌঁছে যাওয়া যাবে চিনের ইউনান প্রদেশে। উল্লেখ্য, করোনা কালের পর থেকে কলকাতা ও কুনমিংয়ের এই বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৬ বছর পর ফের চালু হচ্ছে এই বিমান পরিষেবা। শুক্রবার কলকাতার চিনা কনসাল জেনারেল শ্যু ওয়েই জানান, এই সরাসরি বিমান চালু হয়ে যাওয়ার ফলে দু’দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি হবে।
সপ্তাহে ৬ দিন কলকাতা-কুনমিং বিমান পরিষেবা চালু থাকবে। কলকাতা থেকে বিমান ছাড়বে রাত ১টা ১০ মিনিটে। মাত্র ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মধ্যে সোজা কুনমিং শহরে পৌঁছনো যাবে। আবার কুনমিং থেকে বিমান ছেড়ে রাত ১২টা ১০ মিনিটে তা পৌঁছবে কলকাতা বিমানবন্দরে।
মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য কুনমিংকে বলা হয় ‘বসন্তের শহর’। কোনও দম্পতি হানিমুন করতে চাইলে কলকাতা অর্থাৎ দমদম বিমানবন্দর থেকেই চিনের কুনমিংয়ের বিমান ধরতে পারবেন। সপ্তাহে ৬ দিন বিমান পরিষেবা চালু থাকবে। কলকাতা থেকে বিমান ছাড়বে রাত ১টা ১০ মিনিটে। কুনমিং থেকে বিমান ছেড়ে রাত ১২টা ১০ মিনিটে তা পৌঁছবে কলকাতা বিমানবন্দরে।
মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য কুনমিংকে বলা হয় ‘বসন্তের শহর’।
অন্যদিকে, ১০ বছর পর শহরে ফের কলকাতা চিনা দূতাবাস আয়োজন করেছে চিনা চলচ্চিত্র উৎসবের। এদিন শ্যু ওয়েই জানান, ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় নন্দনে চিনা চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন হবে। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নন্দনে মোট সাতটি চিনা চলচ্চিত্র দেখানো হবে। হাও জিয়ানছি, ইন লিচুয়ান, ওয়াং পাওছিয়াংয়ের মতো বিখ্যাত চিনা চিত্র পরিচালকদের পরিচালিত বিভিন্ন স্বাদের সিনেমাও দেখতে পাবেন সিনেমা রসিকরা। কোনও চিনা সিনেমা দেখার জন্যই টিকিট বা পাস লাগবে না। তবে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে কোনও চিনা চিত্র পরিচালক বা অভিনেতা এই চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির থাকতে পারছেন না বলেও জানিয়েছে চিনা দূতাবাস।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি চিনা দূতাবাসের আধিকারিকরা। নিজস্ব ছবি
২০ এপ্রিল কলকাতায় আন্তর্জাতিক চিনা ভাষা দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছে চিনা দূতাবাস। ওইদিন মডার্ন হাই স্কুল ফর গার্লসে শহরের স্কুল অফ ওয়ার্ল্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ও সেন্ট জনস স্কুলে এই অনুষ্ঠান পালন করা হবে। যোগ দিতে পারেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রছাত্রীও। কলকাতার পড়ুয়ারা চিনা ভাষায় গান, কবিতা, চিনা সংস্কৃতির অঙ্গ হিসাবে চিনা লন্ঠন তৈরি, ক্যালিগ্রাফিরও আয়োজন করছেন। চিনা ভাষার সঙ্গে সঙ্গে চিনের সংস্কৃতির ব্যাপারে গুরুত্ব দিচ্ছে চিনা দূতাবাস। এদিন ইরান-ইজরায়েল প্রসঙ্গে শান্তির বার্তা দেন চিনা কনসাল জেনারেল।
