কয়লা পাচার মামলায় বুদবুদ থানার ওসিকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। চলতি মাসের শুরুতেই বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। সেই তল্লাশি অভিযানে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপরেই আজ বুদবুদ থানার ওসিকে তলব করল ইডি। কয়লা পাচার মামলাতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। একইসঙ্গে লালা ঘনিষ্ঠ চিন্ময় মণ্ডলকেও এই মামলাতেই ইডি তলব করেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, কয়লা পাচার (Coal Scam) মামলায় অন্যতম মাথা ছিলেন চিন্ময় মণ্ডল।
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ফের অ্যাকশনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পুরানো একটি কয়লা পাচার মামলায় এর আগে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়। মামলা গড়ায় হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এরপরেই কলকাতায় এসে আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর রাহুল নবীন। যেখানে কয়লা, বালি-সহ একাধিক হেভিওয়েট মামলার বিষয়ে বিস্তারিত বৈঠক সারেন।
এরপরেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে গতি বাড়িয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত কয়েকদিনে একাধিক ব্যবসায়ীকে জেরা করা হয়েছে। সেই সূত্রেই চলতি মাসের তিন তারিখ আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেই। দীর্ঘ তল্লাশিতে জামুরিয়ার এক ব্যবসায়ীর বাড়ির গুদামঘর থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেন তদন্তকারী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেদিনই বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই মামলাতেই আজ সোমবার মনোরঞ্জন মণ্ডলকে তলব করল ইডি।
চলতি মাসের তিন তারিখ আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেই। দীর্ঘ তল্লাশিতে জামুরিয়ার এক ব্যবসায়ীর বাড়ির গুদামঘর থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেন তদন্তকারী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেদিনই বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, কয়লা পাচার মামলায় প্রোটেকশন মানি হিসাবে মোটা অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। তার যোগ রয়েছে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের। শুধু তাই নয়, কয়লা পাচারে মোটা অঙ্কের টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল বলেও দাবি তদন্তকারীদের। এই বিষয়েই আরও বিস্তারিত জানতেই ফের ওই পুলিশকর্তাকে জেরা করতে পারে ইডি আধিকারিকরা? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে কিছু জানানো হয়নি।
