কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggling Case) তদন্তে আরও সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের প্রয়োজনে আরও সাতজনকে তলব করল কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারীরা সংস্থা। ইতিমধ্যে কয়লা পাচার মামলায় বেশ কয়েকজন কয়লা ব্যবসায়ীকে জেরা করেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই সূত্র ধরেই আরও বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে। এরপরেই কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আরও সাতজনকে তলব করা হল। মূলত কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় গিয়েছে সে বিষয়ে আরও তথ্য জানতেই ওই সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রভাবশালী কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
দিল্লির পুরানো একটি কয়লা পাচার (Coal Smuggling Case) মামলায় গত কয়েকদিন আগেই আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই তল্লাশির মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং পরে সল্টলেকের অফিসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের নামে দলের নথি ছিনতাই করা হয়েছে বলে ইডির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। যা নিয়ে সংঘাত প্রথমে হাই কোর্ট পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। এর মধ্যেই এবার কলকাতা এবং ঝাড়খণ্ডের থাকা কয়লা পাচার মামলাতেও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
এরপরেই বেশ কয়েকজন কয়লা ব্যবসায়ীকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেই সূত্র ধরেই আরও সাতজনকে তলব করা হল। জানা গিয়েছে, এই মামলায় মোট ১৫ জনকে তলব করল ইডি। বলে রাখা প্রয়োজন, কয়লা পাচার মামলায় শুধু কলকাতায় নয়, গত নভেম্বর মাসেও বাংলা এবং ঝাড়খণ্ডের একাধিক জায়গায় ইডির তরফে অভিযান চালানো হয়। দুই রাজ্যের মোট ৪০ টিরও বেশি ঠিকানায় এই অভিযান চালানো হয় বলে খবর। অভিযানে একাধিক নথি ইডির হাতে আসে। শুধু তাই নয়, কয়েক কোটি টাকা, গয়না-সহ একাধিক জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এমনকী অভিযানে প্রচুর পরিমানে বেআইনি কয়লাও বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর।
