shono
Advertisement
Samik Bhattacharya

'পুরোপুরি তোলাবাজি আটকাতে পারিনি', বদলের বাংলায় 'আত্মসমীক্ষা' শমীকের

বাংলায় বিজেপি সরকার উন্নয়নের কাজ করছে। শিল্প আসতে শুরু করেছে। কিন্তু এখনও পুরোপুরি তোলাবাজি আটকানো সম্ভব হয়নি। এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 'বিচ্যুতি' আছে, সেই কথা মেনেও নিলেন তিনি। দলের কর্মীদের এই বিষয়ে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ।
Published By: Suhrid DasPosted: 03:04 PM Aug 01, 2026Updated: 08:01 PM Aug 01, 2026

বাংলায় বিজেপি সরকার উন্নয়নের কাজ করছে। শিল্প আসতে শুরু করেছে। কিন্তু এখনও পুরোপুরি তোলাবাজি আটকানো সম্ভব হয়নি! এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। 'বিচ্যুতি' আছে, সেই কথা মেনেও নিলেন তিনি। দলের কর্মীদের এই বিষয়ে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ। আজ, শনিবার কলকাতার রাজারহাটের আইআইটি খড়গপুর রিসার্চ পার্কের 'উদ্যমী সমাগম' বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শমীক। সেখানেই রাজ্যের উন্নয়ন, শিক্ষা থেকে শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতি বিষয়ে বার্তা দেন। পাশাপাশি তোলাবাজি নিয়েও সাবধানবাণী শোনালেন তিনি। "পুরোপুরি তোলাবাজি আটকাতে পারিনি।" বদলের বাংলায় 'আত্মসমীক্ষা' শমীকের।

Advertisement

রাজ্যে তৃণমূল সরকারের শাসনকালে লাগামছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। শিল্পপতি থেকে উদ্যোগপতিরা বাংলা থেকে বিমুখ হন। উন্নয়ন থেকে ক্রমেই দূরে সরতে থাকে বাংলা। রাজ্যে পালাবদলের পরে বিজেপি সরকার উন্নয়নে একাধিক কর্মসূচি নিচ্ছে। ডবল ইঞ্জিন সরকারে বাংলায় ইতিমধ্যেই শিল্পপতিরা আসতে শুরু করেছেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প থেকে সব ক্ষেত্রেই ঢেলে সাজানো হচ্ছে। দুর্নীতিতে 'জিরো টলারেন্সে'র বার্তা দিয়েছে রাজ্য সরকার। উন্নয়নের মাধ্যমেই সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলা তার পুরনো জায়গায় ফিরে আসবে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল। 

বিজেপি কর্মীদেরও হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন নেতৃত্ব। কোনওরকম দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিন বাম ও তৃণমূল সরকারের আমলের দলীয় রাজনীতির ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে আসার বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তোলাবাজি এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি, সেই কথাও শোনা যায়।

বিজেপি কর্মীদেরও হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন নেতৃত্ব। কোনওরকম দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিন বাম ও তৃণমূল সরকারের আমলের দলীয় রাজনীতির ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে আসার বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তোলাবাজি এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি, সেই কথাও শোনা যায়। দলীয় কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে শমীক বলেন, "বিচ্যুতি আছে। আমাদের মধ্যে যাদের সুপ্ত বাসনা ছিল, তারা এখন সক্রিয়।" তিনি আরও বলেন, "রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা রাজনৈতিক সমাজের বাসিন্দা হয়ে গিয়েছি। এর থেকে মুক্তি চাই। প্রত্যকেটা পদক্ষেপে রাজনীতির অনুপ্রবেশ। এর বাইরে যতক্ষণ না পশ্চিমবঙ্গ বেরোতে পারছে, কোনও সরকার পরিবর্তন আনতে পারবে না। বিনিয়োগ আনতে পারবে না।" 

দিন কয়েক আগেই জানা গিয়েছে, পুজোর আগেই বঙ্গ বিজেপির সর্বস্তরে সাংগঠনিক রদবদল হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যে এখন দল ক্ষমতায়। তাই প্রশাসন ও সংগঠনের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করা এবং নতুন নেতৃত্বকে সামনে আনার পাশাপাশি সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সক্রিয় করার কৌশল নিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সাংগঠনিক রদবদলে একাধিক জেলায় সভাপতি বদল হতে চলেছে। নিচুতলার এক শ্রেণির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগও জমা পড়ছে বলে অভিযোগ। তাঁদেরও সরানো হতে পারে বলে দলের অন্দরের খবর। সেই আবহে কি কর্মী-নেতাদের আগাম সতর্ক করলেন শমীক ভট্টাচার্য? সেই চর্চাও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement