অর্ণব আইচ: সিঁথিতে নম্বর প্লেটবিহীন বাইক থেকে কার্বাইন উদ্ধার হয়েছে সদ্যই। এবার কলকাতাতেই উদ্ধার হল নগদ ২০ লক্ষ টাকা এবং ১০০ বাংলা মদের বোতল। জোড়া অপারেশনে বড় সাফল্য পেল হেয়ার স্ট্রিট থানা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১১ অক্টোবর। অনিল কুমার নামে এক ব্যবসায়ী দাবি করেন, তাঁর সংস্থার কর্মচারী বিপুল টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। কর্মচারী আইনুল হকের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগও করেন তিনি। ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। আইনুলের হাওড়ার শিবপুরের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তবে ততক্ষণে সে পালিয়ে গিয়েছে। অন্য রাজ্যে আইনুল গা ঢাকা দিয়েছে বলেই জানতে পারেন তদন্তকারীরা। ট্রেনে চড়েই আইনুল হক ভিনরাজ্যে পালিয়ে গিয়েছে বলেই মনে করে পুলিশ। সেইমতো রেল পুলিশের সঙ্গে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ যোগাযোগ করে। বিহারের সমস্তিপুর জিআরপি আইনুলকে আটক করে। এরপর হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। শুক্রবার আইনুলকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। তোলা হয় আদালতে। তার কাছ থেকে নগদ ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়।
[আরও পড়ুন: সৌরভের বিদায় নিশ্চিত হতেই বিরাট ধাক্কার মুখে BCCI! হতে পারে মোটা অঙ্কের আর্থিক লোকসান]
অন্যদিকে, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ক্যানিং স্ট্রিট ও পুরনো চিনা বাজারের সংযোগস্থলে হানা দেয় হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ। সেখানে জিতেন্দ্র পাসওয়ান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১০০ বোতল বাংলা মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রত্যেকটি মদের বোতল সিল করা ছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে কার্বাইন পাচারের ছক বানচাল করে বড়সড় সাফল্য পায় এসটিএফ। বুধবার রাতে একটি নম্বরহীন বাইক সিঁথির মোড়ের কাছে দাঁড়িয়েছিল। ‘প্রেস’ লেখা বাইকটিতে কেন নম্বর নেই, তা নিয়ে সন্দেহ হয় এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার। সেইমতো তাঁরা পুলিশকে জানান। পুলিশ আধিকারিকরা আরও দু’জনকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখেন। ওই দু’জনের হাতে ছিল একটি ব্যাগ। অন্য দু’জন বাইকে রাখা আরও একটি ব্যাগ বের করে। পুলিশ সন্দেহের বশে বাইকটিকে আটক করে ব্যাগ দু’টি পরীক্ষা করতেই বেরিয়ে পড়ে মারাত্মক অস্ত্র ও জাল নোট। খবর পেয়ে এসটিএফ আধিকারিকরা এসে চারজনকে গ্রেপ্তার করেন।
