ভোটের মুখে কলকাতার একাধিক জায়গায় আয়কর বিভাগের হানা (Income Tax Raid)। শুক্রবার ভোর থেকে রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি, অফিস, দলীয় কার্যালয় আয়কর আধিকারিকরা তল্লাশি চালান। একইসঙ্গে কালীঘাটেও চলে তল্লাশি। এখানে আধিকারিকরদের নজরে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা কুমার সাহা। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। জানা যাচ্ছে, কালীঘাট ট্রাম ডিপোর পিছনে তাঁর বাড়িতে সকাল প্রায় ৬টা থেকে তল্লাশি চালান আয়কর আধিকারিকরা। প্রায় ৬ ঘণ্টা পর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা চলে যান কুমার সাহার অফিসে। সেখানে এই মুহূর্তে তল্লাশি চলছে বলে খবর।
কুমার সাহা নির্মাণ ব্যবসায়ী বলে পরিচিত। কালীঘাট এলাকায় তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের বড় নেতাও তিনি। একইসঙ্গে রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী তথা মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার সকাল থেকে দেবাশিস কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সঙ্গে সঙ্গেই আয়কর বিভাগের আরেকটি টিম কুমার সাহার বাড়িতেও হানা দেয়। কালীঘাট ট্রাম ডিপোর পিছনে তাঁর বাড়িতে ঢুকে একাধিক নথিপত্র ঘেঁটে দেখেন আধিকারিকরা। এই খবর পেয়ে কুমার সাহার অনুগামীরা তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় করে আয়কর তল্লাশির প্রতিবাদ দেখান বলে খবর। প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোক জড়ো হন।
কুমার সাহা নির্মাণ ব্যবসায়ী বলে পরিচিত। কালীঘাট এলাকায় তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের বড় নেতাও তিনি। একইসঙ্গে রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী তথা মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। শুক্রবার সকাল থেকে দেবাশিস কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সঙ্গে সঙ্গেই আয়কর বিভাগের আরেকটি টিম কুমার সাহার বাড়িতেও হানা দেয়। কালীঘাট ট্রাম ডিপোর পিছনে তাঁর বাড়িতে ঢুকে একাধিক নথিপত্র ঘেঁটে দেখেন আধিকারিকরা। এই খবর পেয়ে কুমার সাহার অনুগামীরা তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় করে আয়কর তল্লাশির প্রতিবাদ দেখান বলে খবর। প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোক জড়ো হন। এলাকায় বেশ উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ অফিসাররা সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
জানা গিয়েছে, কুমার সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আয়কর আধিকারিকরা যান তাঁর অফিসে। কালীঘাট মন্দিরের কাছাকাছি তাঁর কার্যালয়। সেখানেই দুপুর থেকে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পেশায় ব্যবসায়ী কুমারবাবুর ব্যবসা সংক্রান্ত আয়ব্যয়ের হিসেব খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। এর মধ্যে বেআইনি কোনও লেনদেন রয়েছে কি না, সেটাই অনুসন্ধানের বিষয় আয়কর দপ্তরের কাছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ঠিক ভোটের মুখে কেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এত তৎপরতা? এই তল্লাশি কি আগে-পরে করা যেত না?
