ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে বিজেপি, তৃণমূলের এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নেতাজি স্মরণ মঞ্চ থেকে কার্যত আবারও সেই অভিযোগেই সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে বিঁধে তিনি প্রশ্ন তুললেন, "এবার কি কে কার সঙ্গে প্রেম করবে সেটাও ওরা ঠিক করে দেবে? বাচ্চা জন্মানোর আগেও ওদের অনুমতি নিতে হবে!"
কিন্তু কেন একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী? বাংলায় এসআইআরের শুনানি পর্ব চলছে। বহু মানুষ তাতে ডাক পাচ্ছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে নামের বানানে সামান্য ভুল বা বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাকের কারণেই হিয়ারিংয়ে যেতে হচ্ছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছিল বাবার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য মাত্র ১৫ বছর হওয়ায়। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন মঞ্চ থেকে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, "এখন শুনানিতে গেলে প্রশ্ন করা হচ্ছে, ৫ ছেলেমেয়ে কীভাবে? বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক এত কম কী করে? জন্মশংসাপত্র কোথায়? আরে ২০০২ সালের আগে তো হোম ডেলিভারি হতো। দেখছি ৯০ বছরের বৃদ্ধাকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হিয়ারিংয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এটা মায়েদের, বয়স্কদের অপমান।"
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছিল বাবার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য মাত্র ১৫ বছর হওয়ায়। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন মঞ্চ থেকে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, এখন শুনানিতে গেলে প্রশ্ন করা হচ্ছে, ৫ ছেলেমেয়ে কীভাবে? জন্মশংসাপত্র কোথায়? আরে ২০০২ সালের আগে তো হোম ডেলিভারি হতো।
এরপরই মঞ্চে দাঁড়িয়েই মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, "এবার ওরা ঠিক করে দেবে কবে কে বিয়ে করবে? প্রেমটা ওরা ঠিক করে দেবে? কে কী খাবে, কী পরবে, বাচ্চা জন্মানোর আগেও অনুমতি নিতে হবে?" এদিন ফের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু নিয়ে কেন্দ্র ও কমিশনকে নিশানা করেন মমতা। বলেন, "রোজ ৩-৪ জন করে আত্মহত্যা করছে। কতলোক হাসপাতালে ভর্তি। এই মৃত্যুর দায় কমিশন ও কেন্দ্রকে নিতে হবে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এতবছর প্রমাণ করতে হবে আমি ভোটার কি না। বাংলা ও ইংরেজি বানানের ফারাকই তো ওরা বোঝে না।"
