মোথাবাড়ি কাণ্ডের ৫৯ দিনের মাথায় চার্জশিট দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের এনআইয়ের বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।
এসআইআর পর্ব চলাকালীন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকা। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগে বিডিও অফিসের ভিতরে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। মহিলা বিচারক সহ অন্যান্য বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত শুরু করে এনআইএ। তদন্তকারীরা যে ১২ টি মামলার তদন্ত করছে, এদিন তার মধ্যে ৪ টি মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ৪টি চার্জশিটে মোফাক্কেরুল-সহ মোট ৩১ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে ৷ এর মধ্যে কালিয়াচক থানার দু'টি ও মোথাবাড়ি থানার দু'টি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মোথাবাড়ি কাণ্ডে মোট ১২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তার মধ্যে আজ ৪টি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সুদীপ্ত কুমার দে'র বেঞ্চে এই চার্জশিট জমা পড়ে। চারটি মামলার ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৩, ১৫, ১০ এবং ৩ জন অভিযুক্তের নাম চার্জশিটে রয়েছে। সূত্রের খবর, এনআইএর-র পেশ করা চার্জশিটের এই চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ধৃত মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম এবং একরামুল বাদনানির নাম রয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৬(২), ১৮৯(২), ১৮৯(১), ১৯৫(১), ২২১, ২২৩, ২২৪, ৩৫১(২) ধারায় চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
এদিন আদালতে এনআইএ-র আইনজীবী শ্যামল ঘোষ জানান, ঘটনার ৫৯ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করা হচ্ছে। মোথাবাড়ি কাণ্ডের পৃথক পৃথক চারটি মামলায় মোট ৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলাম, একরামুল-সহ মোট ৩১ জনের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।
