ভিনরাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক খুন নিয়ে অশান্তির জেরে গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা (Beldanga Unrest)। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, মামলাগুলি দাখিল করার অনুমতি দেন তিনি। মঙ্গলবার এই মামলাগুলির শুনানির সম্ভাবনা। উচ্চ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট গুরুতর। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আবেদনকারীরা।
উচ্চ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট গুরুতর। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আবেদনকারীরা।
গত বছর ওয়াকফ আইন পাশ হওয়ার প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জও এভাবে অশান্তির জেরে উত্তপ্ত হয়েছিল। ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তখন কলকাতা হাই কোর্ট রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, অবিলম্বে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। সেই উদাহরণ তুলে ধরে সোমবার বেলডাঙার ক্ষেত্রেও ফের বাহিনী মোতায়েনের আবেদন জানানো হয়েছে জনস্বার্থ মামলায়।
এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেছে। সেই কারণে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আদালত আরও জানায়, এনিয়ে দ্রুত শুনানি প্রয়োজন। এই যুক্তিতেই মঙ্গলবারই মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ভিনরাজ্যে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত বেলডাঙা। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরা। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ।
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেছে। সেই কারণে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আদালত আরও জানায়, এনিয়ে দ্রুত শুনানি প্রয়োজন। এই যুক্তিতেই মঙ্গলবারই মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিরোধীদের অভিযোগ, ঘটনার পরও পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ নামলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশি তৎপরতা বাড়লেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আইনজীবী মহলের একাংশ।
