SIR প্রক্রিয়া 'অপরিকল্পিত', বাংলায় যার শিকার হয়েছেন একে একে ১২৬ জন। আতঙ্কে সাধারণ ভোটার ও বিএলও-দের মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরে রবিবার রাজ্যজুড়ে ব্লকস্তরে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৫ জানুয়ারি, জাতীয় ভোটার দিবস। ওইদিনই ভোটারদের অধিকার রক্ষায় তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের ব্লকে ব্লকে প্রতিবাদ মিছিলে নামার নির্দেশ দিলেন তিনি। শনিবার বিএলএ-২ ও বুথ সভাপতিদের ভারচুয়াল বৈঠকে এসআইআর মোকাবিলায় একগুচ্ছ বার্তা দিলেন অভিষেক। জানালেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি বা অসংগতির তালিকা প্রকাশ হলেই সব বিএলএ-২ এবং বুথ সভাপতিদের নিয়ে বুথ-ভিত্তিক ভোটরক্ষা কমিটি গঠন করা হবে।
২৫ জানুয়ারি, জাতীয় ভোটার দিবস। ওইদিনই ভোটারদের অধিকার রক্ষায় তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের ব্লকে ব্লকে প্রতিবাদ মিছিলে নামার নির্দেশ দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিএলএ-২ ও বুথ সভাপতিদের ভারচুয়াল বৈঠকে এসআইআর মোকাবিলায় একগুচ্ছ বার্তা দিলেন তিনি। জানালেন, কমিশনের তরফে ভোটারদের যৌক্তিক অসংগতির তালিকা প্রকাশের পর বুথে বুথে ভোটরক্ষা কমিটি গড়া হবে।
গত অক্টোবর থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। এত কম সময়ের মধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে গোড়া থেকে আপত্তি তুলেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বারবারই তারা অভিযোগ করেছে, এই প্রক্রিয়া অপরিকল্পিত। ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলায় জোর করে এই এসআইআর চলছে। কাজের চাপে ইতিমধ্যে বিএলও-দের আত্মহত্যার খবর সামনে এসেছে। এছাড়া শুনানিতে ডাক পেয়ে আতঙ্কেই মৃত্যু হয়েছে অনেক ভোটারের। এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা ১২৬। এহেন 'অমানবিক' পদ্ধতি বন্ধ করতে গত কয়েকমাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অন্তত ৫টি চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে দিল্লি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু সুরাহা হয়নি কিছুই। বরং দিনদিন কমিশনের একাধিক নয়া নির্দেশিকার কারণে আমজনতার হয়রানি বেড়েই গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শনিবার অভিষেক বিএলএ-২'দের নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেছিলেন। ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও। তিনি জানান, রবিবার জাতীয় ভোটার দিবসে ব্লকে ব্লকে এসআইআরে মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিলে নামার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক। ভারচুয়াল বৈঠকে অভিষেক বলেন, ''দিল্লির এত বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা আত্মনির্ভর বাংলা গড়ে দেখিয়েছি। সব রাজ্য এসআইআর নিয়ে লড়াইয়ে হার মেনেছে। কিন্তু আমরা ওদের হাতেনাতে ধরেছি এবং সুপ্রিম কোর্টে হারিয়েছি। তাই তো আমরা বলি, 'যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা।' আমরা দেখছি, ডিইও-দের লগইন আইডি চাইছেন কমিশনের তরফে আসা মাইক্রো অবজার্ভাররা। বিষয়টা আইনিভাবে দেখব এবং পদক্ষেপ করব।'' রবিবার প্রতিবাদ মিছিলের পাশাপাশি ফের নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে দেখা করবেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।
