পুলিশ প্রশাসনের পর এবার সিইও দপ্তরেও রদবদল করল কমিশন। ডেপুটি সেক্রেটারি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সুব্রত পালকে। তাঁকে বদল করা হল স্বাস্থ্য দপ্তরের সিনিয়র সেক্রেটারি পদে। অন্যদিকে সিইও দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব দেওয়া হল রাহুল নাথকে। তবে নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে সুব্রত পালকে কেন সরালো হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুধু সুব্রত পালই নন, এদিন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সরানো হয়েছে আরও তিন কর্তাকে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে।
জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিইও দপ্তরে থাকা নরেন্দ্রনাথ দত্তকে শ্রম দফতরের অতিরিক্ত সচিব করে পাঠানো হয়েছে। তিনি ১৯৯৮ সালের ডব্লিউবিসিএস অফিসার। সুপ্রিয় দাসকে বদলি করে পাঠানো হয়েছে খাদ্য-প্রক্রিয়াকরণ এবং উদ্যানপালন বিভাগে। অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হিসাবে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও মিঠু সরকারকেও বদলি করা হয়েছে রাজ্যের একটি দপ্তরে।
বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশ প্রশাসনে রদবদল করেছে কমিশন। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেদিকে কর্ণপাত না করে গত কয়েকদিনে একাধিক বিএলও-সহ বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষককে বদলে দেওয়া হয়। এমনকী রবিবার রাতেও নন্দীগ্রাম, ভবানীপুর-সহ একাধিক থানার ওসিকে বদল করে কমিশন। রাজ্যের একাধিক বিডিও, বিভিন্ন থানার ওসি-সহ ২৬৭ জন আধিকারিকের বদলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আজ সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই মামলা দায়ের করার অনুমতি দেয় আদালত। এরপরেই কমিশনের এহেন পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
