বাদ দেওয়া হচ্ছে একাধিক বৈধ ভোটারের নাম! যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই ইস্যুতে সিইও দপ্তরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তনু সেন এবং শ্রেয়া পান্ডে সঙ্গে নিয়ে এদিন সিইও দপ্তরে গিয়েছেন তিনি। এদিকে অভিষেকের আসার খবর চাউর হতেই কমিশনের দপ্তরের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সিইও দপ্তরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। দপ্তরের বাইরের নিরাপত্তায় কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। সব মিলিয়ে সপ্তাহের শুরুতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিপিং কর্পোরেশনের দপ্তর।
এসআইআরের পর রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন প্রায় ৬৪ লক্ষ। বিচারাধীনের তালিকায় ছিলেন ৬০ লক্ষ। এই অবস্থায় বিচারাধীনদের নিষ্পত্তি করে চলতি সপ্তাহ থেকে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এক এক করে চারটি তালিকা প্রকাশ হয়েছে। তাতে কত নাম সংযোজিত হয়েছে, কতজনই বা বাদ পড়েছেন, তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট ধোঁয়াশা! এই নিয়ে গত কয়েকদিন আগেই সুর চড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে তিনি জানান, চারটি তালিকা বেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু একটাই চোখে দেখতে পাইনি। চক্রান্ত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী।
আর এই বিতর্কের মধ্যেই এদিন প্রচার সেরে শিপিং কর্পোরেশনে কমিশনের দপ্তরে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। যেখানে অতিরিক্ত তালিকা-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। এদিকে কমিশনের দপ্তরের বাইরে বিপুল তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড়। চলছে লাগাতার কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান। যদিও এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, ''কেউ আইনের উপরে নয়। আইন ভাঙলে আইন অনুযায়ী নিশ্চয় ব্যবস্থা হবে।''
