shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

'এনার্জি কমেছে, আর দাঁড়াতে চাই না', আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে নারাজ চিরঞ্জিত

এর আগে একাধিকবার ভোটের লড়াইয়ে 'না' বলেছিলেন বারাসতের তারকা তৃণমূল প্রার্থী। শনিবারও বিধানসভার বাইরে একই কথা শোনা গেল তাঁর মুখে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 06:29 PM Feb 07, 2026Updated: 06:29 PM Feb 07, 2026

রাজ্যে রাজনৈতিক বদলের সূচনালগ্ন থেকে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার। ২০১১ সাল থেকে তিনি বারাসতের বিধায়ক। হ্যাটট্রিক পেরিয়ে এবার তাঁর কাছে চতুর্থবারের হাতছানি। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে আর প্রার্থী হতে চান না বারাসতের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। শনিবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি জানালেন, ‘‘যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা ছিল, তা কমেছে। তাই আর দাঁড়াতে চাই না।'' তবে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রার্থী করতে চাইলে আলাদা ব্যাপার, তাও জানালেন চিরঞ্জিত। তবে এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও বারাসত থেকে বিপুল ভোটের জয়ী হয়ে বিধায়ক পদে হ্যাটট্রিক করেছেন।

Advertisement

সিনেজগৎ থেকে স্রেফ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজনীতির মাঠে নেমে পড়া চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সাফল্য কিন্তু যথেষ্ট নজরকাড়া। ২০১১ সালে রাজ্যের পালাবদলের সময় থেকেই তিনি সিপিএম প্রার্থীদের হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন। ২০১৬ ও ২০২১ সালেও বারাসতবাসী তারকা বিধায়ককে পেয়েছেন। যদিও একুশের আগেও চিরঞ্জিত ভোটযুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা বলেছিলেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উপরই ভরসা রেখে ফের প্রার্থী করেছেন। সেই ভরসার দামও দিয়েছেন চিরঞ্জিত, ভোট জিতে।

চিরঞ্জিতের কথায়, ‘‘আমার তিনবার বিধায়ক হওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার চতুর্থবার। কিন্তু এখন আমা মনে হচ্ছে, আমার যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ক্ষমতা ছিল, সেটা কমছে। আমি অত জোরে আর দৌড়তে পারি না। সিনেমায় আর ফাইট করতে পারি না। ফলে ছবিতেও ভূমিকা পালটে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনটা আমি মেনে নিতে চাইছি। রাজনীতি যেহেতু খুব পরিশ্রমের জায়গা, বড় কাজের জায়গা। সেটা আমি প্রায় করতে পারি না। তাই এখানে যদি আর না থাকি, ভালো হয়।''

ছাব্বিশের ভোটের পর কি চতুর্থবারের জন্য চিরঞ্জিতকে বিধানসভায় দেখা যাবে? এই প্রশ্নের জবাবে বিধায়ক নিজের ইচ্ছের কথা মন খুলে বললেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমার তিনবার বিধায়ক হওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার চতুর্থবার। কিন্তু এখন আমা মনে হচ্ছে, আমার যে এনার্জি ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ক্ষমতা ছিল, সেটা কমছে। আমি অত জোরে আর দৌড়তে পারি না। সিনেমায় আর ফাইট করতে পারি না। ফলে ছবিতেও ভূমিকা পালটে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনটা আমি মেনে নিতে চাইছি। রাজনীতি যেহেতু খুব পরিশ্রমের জায়গা, বড় কাজের জায়গা। সেটা আমি প্রায় করতে পারি না। তাই এখানে যদি আর না থাকি, ভালো হয়।''

কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আর বারাসতে তাঁকে ছাড়া আর কাউকে প্রার্থী করতে না চান, সেক্ষেত্রেও কি ভোটে দাঁড়াবেন না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি দলনেত্রীর দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ করে বললেন, ‘‘উনি তো দূরদর্শিনী, তাঁকে কি অস্বীকার করা যায়? মনে হয় যায় না। আমি অনুরোধ করতে পারি। তবে তিনি খুব ভালো বোঝেন, কাকে প্রয়োজন, কতটুকু প্রয়োজন।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement