shono
Advertisement
DA

কীভাবে আপনার অ্যাকাউন্টে পৌঁছবে বকেয়া ডিএ-র টাকা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

গত ১৫ মার্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ চলতি মাসেই দিয়ে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল।
Published By: Sayani SenPosted: 05:46 PM Mar 26, 2026Updated: 05:46 PM Mar 26, 2026

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর এবার মহার্ঘ ভাতা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করল নবান্ন। ইতিমধ্যে অর্থদপ্তর থেকে টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রুপ ডি এবং পেনশনভোগীদের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। বাকিদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে ঢুকবে টাকা। তবে জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীরা নাকি চাইলেই নিজেদের বকেয়া ডিএ-র হিসাবও দেখতে পাচ্ছেন।

Advertisement

কীভাবে টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে যাবে তা-ও নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে। একনজরে দেখে নিন সেই প্রক্রিয়া। মহার্ঘ ভাতা এইচআরএমএসের মাধ্যমে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। ডিডিও (সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইনচার্জ) ওই অ্যাকাউন্টটির দেখভালের দায়িত্বে। তিনি এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিভাগে ঢুকবেন। দেখতে পাবেন টাস্কলিস্ট। সেখান থেকে বিল সামারিতেগিয়ে এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিল জেনারেশনে গিয়ে বিল জেনারেট করবেন। তারপর জিপিএফ অ্যাকাউন্টে যাবে টাকা। আধিকারিকরা ইনস্টলমেন্ট ডিটেলস দেখতে পাবেন।

নবান্নের নির্দেশিকা

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহ সময়। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দেয়নি রাজ্য। বরং সুপ্রিম কোর্টের কাছে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছিল শুনানি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সাফ জানান, ডিএ আইনি অধিকার, বকেয়া ডিএ দিতেই হবে। আদালত স্পষ্ট জানায়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে। তবে প্রথম কিস্তি দিতে হবে মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে।

তারপর যা বাকি থাকবে তার কতটা অংশ দেওয়া হবে, কতদিনের মধ্যে দিতে হবে, সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি। তবে সুপ্রিম রায় সত্ত্বেও এখনও ডিএ পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারে বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তাঁদের তথ্য ডিজিটাল নয়। বরং সার্ভিস বুক আকারে হাতে লেখা নথি রয়েছে। ফলে সেগুলি ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে। আবার তার উপর এসআইআরের ফলে রাজ্য সরকারের হাতে প্রশাসনিক আধিকারিকের সংখ্যাও অনেক কম। তাই প্রশাসনিক এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ডিএ বকেয়া পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানানো হয়েছে। রাজ্যের জানানো আর্জিতে হতাশ হয়ে ধর্মঘটের ডাকও দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও ধর্মঘট তেমন সফল হয়নি। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার দিন গত ১৫ মার্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ চলতি মাসেই দিয়ে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement