shono
Advertisement
Diamond Harbour police district

সাসপেনশনের একদিনের মধ্যেই হিঙ্গলগঞ্জ, ডায়মন্ড হারবারে নিয়োগ নতুন ৬ পুলিশ আধিকারিক

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হিঙ্গলগঞ্জ থানার এসআই রাহুল হালদারকে ওই থানারই ওসি পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
Published By: Jaba SenPosted: 11:27 PM Apr 25, 2026Updated: 11:27 PM Apr 25, 2026

হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি ছাড়াও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের জায়গায় নতুন ছয় জনকে দায়িত্ব দেওয়া হল। শনিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হিঙ্গলগঞ্জ থানার এসআই রাহুল হালদারকে ওই থানারই ওসি পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচ পদে নতুন আধিকারিকরা দায়িত্ব পেয়েছেন।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদারকে ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের দায়িত্ব পেয়েছেন বিজয় যাদব। ফলতা পুলিশ স্টেশনের আইসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইন্সপেক্টর পার্থ সারথী ঘোষকে। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ স্টেশনের আইসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্সপেক্টর প্রসেনজিৎ কর। তিনি এর আগে সাইবার ক্রাইম উইংয়ে ছিলেন। উস্তি থানার ওসি পদে ডায়মন্ড হারবারের ডিআইবি রাহুল কুমারকে আনা হয়েছে। অবিলম্বে এই আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই। তার আগেও কমিশনের রোষের মুখে একাধিক পুলিশকর্তা। গতকালই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি ও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই অফিসারদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এবার সেই জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হল।

ভোট ঘোষণার দিনই তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এমনকী কলকাতা পুলিশ কমিশনার, ডিজি-সহ একাধিক জেলার পুলিশ সুপারকেও রাতারাতি বদল করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি এবং জলপাইগুড়ির রেঞ্জের ডিআইজিকে। বদলি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন শীর্ষ আধিকারিকদের বদল, তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দেন। সেই ক্ষোভের জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে মামলাটি। তবে ধোপে টেকেনি। আধিকারিকদের বদলি নতুন কিছু নয় বলেই জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

চলতি বছর বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। তাই একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে কমিশন। বারবারই কমিশনের তরফে পুলিশকর্তাকে নিজের কাজে অবহেলা না করার কথা বলা হয়েছে। কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার হয়ে কাজ না করার নির্দেশিকা জারি হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতিতে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল কমিশন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement