এসআইআরের পর রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন প্রায় ৬৪ লক্ষ। বিচারাধীনের তালিকায় ছিলেন ৬০ লক্ষ। এই অবস্থায় বিচারাধীনদের নিষ্পত্তি করে চলতি সপ্তাহ থেকে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এখনও পর্যন্ত তিনটি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে কত নাম সংযোজিত হয়েছে, কতজনই বা বাদ পড়েছেন, তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা ছিল। সেসব কাটিয়ে অবশেষে কমিশন জানাল বাতিলের সংখ্যা ঠিক কতটা। হিসেব বলছে, বিচারাধীন ভোটারদের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ বাদ পড়েছেন। তিনটি অতিরিক্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ১৮ লক্ষ নাম। সবমিলিয়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর এখনও পর্যন্ত নাম মুছেছে ৮২ লক্ষের।
হিসেব বলছে, বিচারাধীন ভোটারদের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ বাদ পড়েছেন। তিনটি অতিরিক্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ১৮ লক্ষ নাম। সবমিলিয়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর এখনও পর্যন্ত নাম মুছেছে ৮২ লক্ষের। ধারাবাহিক হিসেব অনুযায়ী, সবমিলিয়ে মোট ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাতিল হতে চলেছে।
এখনও পর্যন্ত ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন। তাঁদের নিষ্পত্তির পরই জানা যাবে, বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা ঠিক কত। তবে ধারাবাহিক হিসেব অনুযায়ী, সবমিলিয়ে মোট ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাতিল হতে চলেছে। বিজেপি নেতৃত্বের যদিও দাবি ছিল, ১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ যাবে। কমিশন সূত্রে খবর, বাকি ২০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে খুব দ্রুত। তারপরও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁরা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। দু-একদিন পরই ট্রাইব্যুনালের কাজ শুরু হবে। প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২ আসনে ভোট ২৩ এপ্রিল। মনোনয়নের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। ওইদিন পর্যন্ত ১৫২ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় যতজনের নাম থাকবে, তাঁরাই ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
অন্যদিকে, যে ১৪২ আসনে ভোট দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল, সেখানে মনোনয়নের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ওই বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটারদের চূড়ান্ত তালিকা জানা যাবে ওইদিনই। ততদিন পর্যন্ত যাঁদের নাম থাকবে, তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। অর্থাৎ ৯ এপ্রিল সামগ্রিকভাবে জানা যাবে এসআইআরের পর এই মুহূর্তে রাজ্যের ভোটার সংখ্যা কত। তবে শাসকশিবির বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, ষড়যন্ত্র করে অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হতে পারে।
