shono
Advertisement

Breaking News

Mango Seed Benefits

পাকা আমের এই অংশ খেলে বাড়বে না সুগার, মুক্তি পাবেন আর কোন রোগ থেকে?

প্রাথমিকভাবে আমের আঁটির গুঁড়ো তৈরি খানিক ঝক্কির মনে হলেও, একবার তা দৈনিক ডায়েটে জুড়ে নেওয়া গেলে, অভ্যেস হতে সময় লাগে না। শরীরও ভালো থাকে ভিতর থেকে।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 06:39 PM May 08, 2026Updated: 06:49 PM May 08, 2026

গরমকালে আম খান না, এমন বাঙালি মেলা ভার। হয়তো যার মুখে পাকা আম মিষ্টি লাগে, সে নুন-তেল মেখে কাঁচা আম খেতে ভালোবাসে। কেউ হয়তো আম ভালোবাসে ডালে, কেউ বা ভালোবাসে আমের সরবত। কিন্তু এই সব রকমের মানুষই যে কথায় সহমত হবেন, তা হল, আমের আঁটি কোনও কাজেই লাগে না। তা দিয়ে ভেঁপু বানানো গেলেও যেতে পারে, তবে কাজের কাজ হয় না কিছুই!

Advertisement

আয়ুর্বেদ কিন্তু বলছে অন্য কথা। সে শাস্ত্র মতে, অতি সাধারণ দেখতে শুষ্ক আমের আঁটির গুণ এমনই যে তা দিয়ে সারানো সম্ভব জটিল রোগ! কিন্তু শুকনো খটখটে আঁটি খাওয়া যায় কীভাবে? শরীরের কোন রোগেই বা কাজে দেবে? জেনে নেওয়া যাক এইবেলা।

আমের আঁটি বের করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে

কীভাবে খাওয়া যায় আমের আঁটি?
আমটি পাকা হওয়া জরুরি। তা থেকে আমের বীজ অর্থাৎ আঁটি বের করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। রোদের নাগাল না পাওয়া গেলে শুকানো যায় এয়ারফ্রায়ারেও। তারপর তা মিহি গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করুন কাচের শিশিতে। উষ্ণ জলে ১ গ্রাম আঁটির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা রুটি তৈরির আগে মেখে নেওয়া যায় আটার সঙ্গে। অনেকে আবার সরু ফালি করে, তা রোস্ট করে স্ন্যাক্স হিসেবে খান। তবে তা বোধহয় খানিক অসুবিধেজনক। রোস্টের ফলে খাদ্যগুণ নষ্টও হতে পারে।

কীভাবে তা কাজে লাগে স্বাস্থ্য গঠনে?
১।
সুগারের রোগীরা এড়িয়ে চলেন পাকা আম। আঁটির গুঁড়ো কিন্তু খেতেই পারেন তাঁরা। আয়ুর্বেদ মতে, এতে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য হয়। রক্ত ক্ষরণ বন্ধ হয়। এতে থাকে ম্যাঞ্জিফেরিন, যা মানবশরীরে এক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করে।

২। আমের আঁটিটেও ভরপুর ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভনয়েড, ফেনোলিক অ্যাসিড থাকে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, পরোক্ষে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ডায়রিয়া-আমাশয়ে দুর্দান্ত কাজ দেয় এই আয়ুর্বেদিক টোটকা। এমনকী কাজ দেয় পেটের অ্যাসিড কমাতেও।

উষ্ণ জলে ১ গ্রাম আঁটির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে

৩। আঁটির গুঁড়ো নিয়মিত সেবন করলে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনাক্রম্যতা বাড়ে। তাই বয়স্ক মানুষ যারা সচরাচর খাওয়ার ক্ষেত্রে মানতে বাধ্য হন নানা ধরনের বিধিনিষেধ, তাঁরা স্বেচ্ছায় খেতে পারেন এই বিশেষ পাউডার।

প্রাথমিকভাবে আমের আঁটির গুঁড়ো তৈরি খানিক ঝক্কির মনে হলেও, একবার তা দৈনিক ডায়েটে জুড়ে নেওয়া গেলে, অভ্যেস হতে সময় লাগে না। শরীরও ভালো থাকে ভিতর থেকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement