২০২৪ সালের ৮ আগস্ট, আর জি কর হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের দেহ। অভয়ার সুবিচারের দাবিতে শুরু হয় জোর আন্দোলন। রাতের পর রাত দখলের সাক্ষী হয় তিলোত্তমা। আট থেকে আশি প্রায় সকলেই আন্দোলনে শামিল হন। প্রতিবাদে পথে নামেন সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। তিনি এবার পানিহাটির সিপিএম প্রার্থী। তাঁর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। প্রার্থী হতেই তাঁর হুঁশিয়ারি, "আমি জিতলে পানিহাটি জিতবে। আমি হারলে পানিহাটি হারবে। তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব।"
প্রার্থী হতেই অভয়ার মায়ের হুঁশিয়ারি, "আমি জিতলে পানিহাটি জিতবে। আমি হারলে পানিহাটি হারবে। তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব।" অভয়ার বাবা শেখর দেবনাথ বলেন, “দলের নেতা-কর্মীরা বাড়িতে আসছেন, আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার থেকেই পূর্ণ শক্তিতে প্রচার শুরু হবে।”
বুধবার তৃতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। ১৯ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকাতেই রয়েছেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। যদিও সপ্তাহখানেক আগে প্রার্থী হতে চলেছেন সে আভাস নিজেই দিয়েছিলেন তিনি। প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হওয়া মাত্রই ভোট প্রচারের প্রস্তুতি শুরু করে ফেলেছেন অভয়ার মা। অভয়ার বাবা শেখর দেবনাথ বলেন, “দলের নেতা-কর্মীরা বাড়িতে আসছেন, আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার থেকেই পূর্ণ শক্তিতে প্রচার শুরু হবে।” নারী সুরক্ষা প্রথমে, সঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রশ্ন তুলে ভোটের ময়দানে নামতে চাইছে দেবনাথ পরিবার।
এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষ, বিদায়ী বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে। সিপিএমের হয়ে লড়ছেন আর জি কর আন্দোলনের মুখ কলতান দাশগুপ্ত। কলতান দাশগুপ্তের প্রতিক্রিয়া, “আমার কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। যে কেউ রাজনীতি করতে পারে।” তীর্থঙ্কর ঘোষও ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে বলেন, “প্রার্থীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। সব দলই প্রার্থী দেবে।” বরং সহমর্মিতার সুরেই তাঁর সংযোজন, “একজন মায়ের কষ্ট আমাকেও নাড়া দেয়। এমন ঘটনা আর কোনও পরিবারের জীবনে না আসুক।” প্রার্থী ঘোষণা পর্বের পর পানিহাটিতে ত্রিমুখী লড়াইয়ের ছবি স্পষ্ট। তবে শুরুর এই সংযত অবস্থানই ইঙ্গিত দিচ্ছে - এ লড়াই শুধু রাজনৈতিক নয়, আবেগের সমীকরণও বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।
