ভুয়ো সংশাপত্র দেখিয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী! এই অভিযোগ তুলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে। বনগাঁ এলাকা মতুয়া গড় হিসেবেই পরিচিত। ভোটের প্রচারও চলছে এলাকায়। সেই আবহে মতুয়াগড়ে এমন অভিযোগ সামনে আসায় শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য।
ওই কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার এবারও প্রার্থী হয়েছেন। এদিকে এবার বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। তিনিও প্রচার শুরু করেছেন। সেই আবহে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার। তৃণমূল প্রার্থী ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন! এই অভিযোগ তুলেছেন স্বপন। শুধু তাই নয়, হাই কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন তিনি।
স্বপন মজুমদারের দাবি, অবৈধ উপায়ে এসসি শংসাপত্র জোগাড় করেছেন তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। তাঁরা আরটিআই করে জানতে পেরেছেন তৃণমূল প্রার্থীর বাবা-মায়ের আগে যখন ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তাঁরা জেনারেল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন। ঋতুপর্ণার বাবার নাম শঙ্কর আঢ্য, মায়ের নাম জোৎস্না আঢ্য। অভিযোগ, মহকুমাশাসককে প্রভাবিত করে একদিনের মধ্যে মেয়ের জন্য শংসাপত্র বের করেছেন৷ হাইকোর্টে জানানোর পাশাপাশি স্বপনবাবু নির্বাচন কমিশনেও লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান৷ ঋতুপর্ণার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্বপনবাবু।
পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন জোৎস্না আঢ্য এবং শঙ্কর আঢ্য। অভিযোগে তিনি বলেন, পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ১৯ কোটি টাকা তাঁরা আত্মসাৎ করেছিলেন৷ এছাড়া জলপ্রকল্পে ৯৮ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতিতে ওই দুজন জড়িত! এ বিষয়ে শংকর আঢ্য বলেন, "১৫-১৬ বছর ধরে স্বপনবাবু কি ঘুমিয়েছিলেন? ঋতুপর্ণা যখন প্রার্থী হয়েছে এবং জনসমর্থন তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়েছে, তখন এইসব মিথ্যে অভিযোগ তুলে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে প্রাপ্তিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। আইনের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা আছে।"
