চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম ছিল বিবেচনাধীন। অতিরিক্ত তালিকায় দেখা গেল বাদ পড়েছে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখের নাম। সুবিচার পেতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। গোটা ঘটনায় বিরক্ত কংগ্রেস নেতা তথা বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী।
প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হচ্ছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও হাইকোর্ট এধরণের মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। কলকাতা হাই কোর্টে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রশাসনিক দিক তদারকি করছে বলে জানানো হয়েছে।
জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় মোহতাব শেখের ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম তালিকায় থাকলেও খোদ প্রার্থীর নাম ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এদিকে ট্রাইবুনাল এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মোহতাব শেখের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। যদিও এদিন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হচ্ছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও হাইকোর্ট এধরণের মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। কলকাতা হাই কোর্টে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রশাসনিক দিক তদারকি করছে বলে জানানো হয়েছে। হাই কোর্ট আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানাগিয়েছে।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, "আমাদের কংগ্রেস দলের ফরাক্কা বিধানসভার মনোনীত প্রার্থী মোহতাব শেখ। এসআইআরে তাঁর নাম বাদ হয়ে গিয়েছে। তালিকায় তাঁর ছেলের নাম রয়েছে। পরিবারের সকলের নাম রয়েছে। মোহতাব শেখের নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। সে কংগ্রেসের প্রার্থী। ঘোষিত প্রার্থী। আমরা এই অবস্থায় পড়ে রয়েছি। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের তালিকা তৈরি নিয়ে ডামাডোল চলছে। সেই ডামাডোলের হাত থেকে বাংলাকে আমরা বার করতে পারিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশন আরেক দিকে। এই দুই এর সংঘাতে বাংলার আজকের নির্বাচনী তালিকার ডামাডোল চলছে।" এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কতটা বৈধ, তা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন অধীররঞ্জন চৌধুরী।
