ভোটমুখী বাংলায় ক্রমশই চড়ছে উত্তাপ। বিজেপি নেতা-নেত্রীরা পুলিশকে ক্রমাগত আক্রমণে ব্যস্ত। খড়্গপুরের পদ্মপ্রার্থী দিলীপ ঘোষের পথে হেঁটে উর্দিধারীদের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে দাঁড়িয়ে পুলিশকে সতর্ক করেন তিনি। বিডিওকেও নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন সুকান্ত।
সুকান্তর হুঁশিয়ারি, "যদি ভালো চান, বউ-বাচ্চা নিয়ে সুখে থাকতে চান আর রবিবারে শান্তিতে খাসির মাংস ও তুলাইপাঞ্জি চালের ভাত খেতে চান, তবে সোজা হয়ে কাজ করুন। আমাদের হয়ে কাজ করতে হবে না। শুধু নিরপেক্ষ থাকুন। বাকিটা আমরাই বুঝে নেব।"
আইসিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, "পুলিশের ইউনিফর্ম পরে যদি তৃণমূল ক্যাডারের মতো কাজ করতে হয়, তবে ওটা ছেড়ে সরাসরি ঘাসফুল ঝান্ডা হাতে নিয়ে ভোটে দাঁড়ান। মনে রাখবেন, নিরপেক্ষভাবে কাজ না করলে নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করে আপনাকে বরখাস্ত করতে পারে। তখন মুখ্যমন্ত্রীও বাঁচাতে পারবেন না।" নজিরবিহীন আক্রমণ করে সুকান্তর হুঁশিয়ারি, "যদি ভালো চান, বউ-বাচ্চা নিয়ে সুখে থাকতে চান আর রবিবারে শান্তিতে খাসির মাংস ও তুলাইপাঞ্জি চালের ভাত খেতে চান, তবে সোজা হয়ে কাজ করুন। আমাদের হয়ে কাজ করতে হবে না। শুধু নিরপেক্ষ থাকুন। বাকিটা আমরাই বুঝে নেব।" সুকান্তর মতে, "পুলিশ যদি নিরপেক্ষ হয়ে যায়, তবে তৃণমূলের পার্টি অফিস খোলার লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।"
এর আগে দিলীপ ঘোষ বাংলায় 'ইউপি মডেলে'র কথা বলেন। ভোটে জিতলেই 'এনকাউন্টারে'র হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “৪ তারিখের পর সব পালটে যাবে। দেখবেন পশ্চিমবাংলায় পরিবর্তন হবেই। যে পুলিশ আজ গুন্ডাদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে, চোর নেতাদের চামচাগিরি করছে, সেই পুলিশ দেখবেন উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে কী রকম এনকাউন্টার করে।" যদিও পালটা জবাব দিয়েছিল তৃণমূল। ওইদিন পালটা সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বলেন, "ক্ষমতায় আসলে বিজেপি এভাবেই বেছে বেছে বাঙালিদের হত্যা করবে।" এই বাক্ তরজার মাঝে সুকান্তর হুঁশিয়ারিতে রাজনীতির পারদ যে ক্রমশ চড়ছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
