ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের প্রচার চলাকালীন তৃণমূল দুষ্কৃতীরা হামলা চলে বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার পর থেকেই পুলিশ-প্রশাসন কড়া ভূমিকা নিয়েছে। এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনার শুক্রবার বেলা পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিন ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের পুলিশ হেফজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর।
এদিকে বাসন্তীর ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন, কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল? পুলিশ-প্রশাসন কী করছিল? সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিষয়টির খোঁজখবর করা হচ্ছে। গতকালের ঘটনার পর থেকে পুলিশ-প্রশাসন এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে। মোতায়েন রয়েছে বাহিনী। ঘটনার পর থেকেই বাসন্তীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। ৯জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশকে মারধর-খুনের চেষ্টা, এলাকায় হিংসা ছড়ানো, প্রচারে বাধা দেওয়া, সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সবকটি অভিযোগই জামিনঅযোগ্য ধারায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাপা আতঙ্ক রয়েছে।
গতকাল, বৃহস্পতিবার বিজেপির প্রচারকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার বাসন্তীকে। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের প্রচার চলাকালীন সেখানে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে প্রচারে বাধা দিলে অশান্তি চরমে ওঠে। এরপরই নতুন করে আক্রমণ-পালটা আক্রমণে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে গিয়ে জখম হন ৮ পুলিশকর্মী। যদিও এর সঙ্গে তাঁদের যোগ নেই বলেই দাবি তৃণমূলের। স্থানীয় নেতাদের কথায়, “বিজেপির বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হয়েছে।” কোনওক্রমে ঘটনাস্থল ছেড়ে ভারত সেবাশ্রমে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। তবে বিজেপির থেকে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
