রাজ্যের অতি সংবেদনশীল চিহ্নিত বুথগুলিতে সিআরপিএফ নিয়োগের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলা খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। গত ১৮ এপ্রিল কমিশনের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য এবং সূত্রের ভিত্তিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল বুথগুলিতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বা সিআরপিএফ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকা খারিজের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। শুক্রবার রায় ঘোষণা করে আদালতের নির্দেশ, ওই নির্দেশিকায় বেআইনি কিছু নেই। নির্বাচন কমিশন বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিধি অনুসরণ করেছে।
তৃণমূলের তরফে আইনজীবী অনির্বাণ রায়ের দাবি, বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে 'ম্যানুয়াল অন ফোর্স ডেপ্লয়মেন্ট' যথার্থভাবে মানা হয়নি। ভোটগ্রহণের অন্তত ৬ মাস আগে থেকে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিতকরণ শুরু করা উচিত। এক্ষেত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সিআরপিএফ নিয়োগ উদ্দেশ্যমূলক। পালটা নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী দামা সেশাদ্রি নাইডুর যুক্তি, সংবিধানের ৩২৯(বি) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাঝপথে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
২০২৩ সালের ম্যানুয়ালের ১.৩ ধারা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ভয়মুক্ত ভোটের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সিআরপিএফ কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের শত্রু নয়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ' তথ্য এবং গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত।স্পর্শকাতর এলাকা ম্যাপিংয়ের কাজ আগে থেকেই করা হয়েছিল। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপাররা পরিস্থিতির বিষয়ে অবগত ছিলেন।'
