shono
Advertisement
WB Assembly Election 2026

ভোটের পরদিন সকালে এল ভোটার স্লিপ, বিএলওকে আটকে বিক্ষোভে গোটা গ্রাম!

ভোটারের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন বিএলও। পথভুলে আর ভোটার স্লিপ দেনওনি! স্লিপ না থাকার জন্য গতকাল ভোট দিতে পারলেন না ওই তরুণী। এর থেকেও অবাক করা ঘটনা ঘটছে আজ, শুক্রবার। বিএলও ওই তরুণীর ভোটার স্লিপ নিয়ে এদিন সকালে বাড়িতে এলেন! ঘটনা জানাজানি হতেই তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বিএলও-কে দীর্ঘ সময় ওই এলাকায় আটকে রাখা হয়।
Published By: Suhrid DasPosted: 03:19 PM Apr 24, 2026Updated: 04:15 PM Apr 24, 2026

ভোটারের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন বিএলও। পথভুলে আর ভোটার স্লিপ দেনওনি! স্লিপ না থাকার জন্য গতকাল ভোট (WB Assembly Election 2026) দিতে পারলেন না ওই তরুণী। এর থেকেও অবাক করা ঘটনা ঘটছে আজ, শুক্রবার। বিএলও ওই তরুণীর ভোটার স্লিপ নিয়ে এদিন সকালে বাড়িতে এলেন! ঘটনা জানাজানি হতেই তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বিএলও-কে দীর্ঘ সময় ওই এলাকায় আটকে রাখা হয়। অভিযুক্ত বিএলও নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচলে।

Advertisement

গতকাল, বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় ভোট (WB Assembly Election 2026) ছিল মালদহে। চাঁচোল বিধানসভার সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নং বুথের ভোটার হুশনারা বেগম এবার ভোট দিতে পারলেন না। ভোটার তালিকায় নাম ছিল তাঁর। অন্যদের বাড়িতে ভোটার স্লিপ দেওয়া হয়। কিন্তু ভোটার স্লিপ তাঁর বাড়িতে আসছিল না। কেন স্লিপ আসছে না সেই বিষয়ে বিএলওকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তরুণীর অভিযোগ, বিএলও আখতার হোসেনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, এসআইআরে তাঁর নাম ওঠেনি।

গতকাল ওই তরুণী ভোট দিতে পারেননি। এদিকে, এদিন সকালে ওই ঘটনারই নতুন দিক সামনে আসে। বিএলও আখতার হোসেন ওই তরুণীর ভোটার স্লিপ বাড়িতে দিতে আসেন! গতকাল ভোট ছিল, আজ কেন স্লিপ দেওয়া হল? সেই প্রশ্ন তুলে বিএলওকে ঘেরাও করে রাখে এলাকার মানুষজন। জনরোষের মুখে নিগৃহীত হন বিএলও। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ, ধাক্কাধাক্কি চলে। অভিযোগ, তাঁর গাফিলতিতেই ভোট দিতে পারেননি তরুণী। তরুণী হুশনারা বেগমের অভিযোগ, গতকাল বিএলও'র কাছে বারবার ভোটার স্লিপ চেয়েছেন। কিন্তু তাকে দেওয়া হয়নি। এদিন সকালে তার বাড়িতে গিয়ে স্লিপ দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কেন এমন করলেন আখতার হোসেন? তিনি জানিয়েছেন, নাম বিভ্রাটে এমন ঘটনা ঘটেছে। দুই ব্যক্তিকে এক ভেবেই ভোটার স্লিপ নিয়ে বিভ্রাট। নিজের ভুল স্বীকার করেছেন ও বিএলও। চাঁচলের কংগ্রেস ত্যাগী নির্দল প্রার্থী আনজারুল হক বলেন, "এই বিএলও যখন থেকে দায়িত্ব পেয়েছেন তখন থেকেই গোটা সিহিপুর গ্রামের মানুষকে ভুলভাল তথ্য শুনিয়ে আতঙ্কে রেখেছেন। শাস্তি দরকার।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement