রাজ্যে শুরু হয়েছে গণতন্ত্রের উৎসব। ভারতবর্ষে ভোটকে (Bengal Election 2026) সবচেয়ে বড় উৎসব বলা হয়। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই এই উৎসবে সামিল হন। আর তাই এই উৎসবে সামিল হতে এবার বিদেশ থেকে এলেন প্রতিনিধিরা। উৎসবের আমেজ, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রক্রিয়া সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে শিলিগুড়ি কলেজের ডিসিআরসি অর্থাৎ নির্বাচন প্রক্রিয়া কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তাঁরা।
শিলিগুড়িতে আসা এই প্রতিনিধি দলে নামিবিয়া, জর্জিয়া, নেপাল, ফিলিপিন্স, সুইজারল্যান্ড এবং কেনিয়া— এই ছয়টি দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়া’ মিলিয়ে মোট ১৩ জন প্রতিনিধি এসেছেন। প্রথমেই শিলিগুড়ি কলেজের ডিসিআরসি সেন্টারে ঢুকে প্রশাসনিক কর্তা ও ভোটকর্মীদের অভিজ্ঞতা শুনে নেন তাঁরা। জেলার নির্বাচনী আধিকারিকরা ভোট পরিচালনার পূঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিনিধিদের কাছে তুলে ধরেন। ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে এতো বিপুল পরিমাণ পুলিশ এবং প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে সরকারি কর্মীদের অংশগ্রহণ দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যান তাঁরা। যদিও এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মুখ খুলতে চাননি বাংলার ভোট দেখতে আসা বিদেশিরা।
শিলিগুড়িতে আসা এই প্রতিনিধি দলে নামিবিয়া, জর্জিয়া, নেপাল, ফিলিপিন্স, সুইজারল্যান্ড এবং কেনিয়া— এই ছয়টি দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়া’ মিলিয়ে মোট ১৩ জন প্রতিনিধি এসেছেন।
তবে এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর অপূর্ব কুমার সিং বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ তার গণতন্ত্রের উৎসবের জন্য বিশ্বখ্যাত। এই রাজ্যে নির্বাচনও অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হতে চলেছে। এই উৎসবের মেজাজ এবং ভারতীয় নির্বাচন ব্যবস্থার বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করতেই বিদেশের প্রতিনিধিরা এখানে এসেছেন। বৃহস্পতিবারও তারা আসবেন ও সম্পূর্ণ ব্যবস্থা দেখবেন।" তিনি আরও বলেন, "প্রতিনিধিরা মিডিয়া মনিটরিং সেন্টার এবং ওয়েবকাস্টিং মনিটরিং সেন্টার পরিদর্শন করবেন। এবার নির্বাচনে (Bengal Election 2026) ১০০ শতাংশ বুথে কীভাবে ওয়েবকাস্টিং-এর মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে, তা হবে তাঁদের অন্যতম মূল আকর্ষণের জায়গা। বৃহস্পতিবার প্রতিনিধিরা সরাসরি বিভিন্ন পোলিং স্টেশনে গিয়ে ভোটদানের প্রক্রিয়াও প্রত্যক্ষ করবেন।"
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার সুশৃঙ্খল পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে বিদেশের প্রতিনিধিরা যথেষ্ট প্রভাবিত বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই সফর বিশ্ব দরবারে ভারতীয় গণতন্ত্রের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
