সাতসকালে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছিলেন, পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। কিন্তু বেলা গড়াতেই অশান্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রাম। ভোট (West Bengal Assembly Election) চলাকালীন শুভেন্দুর পোলিং এজেন্ট এবং মণ্ডল প্রেসিডেন্ট বুদ্ধদেব মণ্ডলকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওসির অপসারণের দাবি তুললেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী। জানালেন, ইতিমধ্যেই ফোনে ঘটনার কথা সিইও মনোজ আগরওয়ালকে জানিয়েছেন তিনি।
শুভেন্দুর পোলিং এজেন্ট এবং মণ্ডল সভাপতি বুদ্ধদেব মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করছে। এই গ্রেপ্তারির পরিপ্রেক্ষিতে ওসির অপসারণের দাবি তোলেন শুভেন্দু।
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে টোটোয় চেপে নিজের কেন্দ্র ভোট (West Bengal Assembly Election) দিতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত। পরবর্তী জল গড়ায় পুলিশ পর্যন্ত। শুভেন্দুর পোলিং এজেন্ট এবং মণ্ডল সভাপতি বুদ্ধদেব মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করছে। এই গ্রেপ্তারির পরিপ্রেক্ষিতে ওসির অপসারণের দাবি তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, "আমি ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টা সিইওকে জানিয়েছি। পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিককে অবিলম্বে সরাতে হবে। আমি কোনও গুন্ডাকে রাস্তায় থাকতে দেব না।"
এখানেই শেষ নয়, বিনপুর ও খড়গপুরেও বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে এদিন অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, একাধিক এলাকায় হিন্দু ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, এই অভিযোগ পাওয়ার পরই ভিডিও কলে ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর আতঙ্ক কাটিয়ে তাঁরা ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন বলে খবর।
এদিন শুভেন্দু বলেন, "আমি মুর্শিদাবাদ, মালদহ-সব জায়গাতেই দেখছি পরিস্থিতি পরিবর্তনের পক্ষে। মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে, বিশেষ করে নারী নির্যাতন এবং চাকরি চুরির মতো বিষয়গুলো এই নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলেছে। একজন নারী কাঁদতে কাঁদতে আমাকে বললেন, 'হিন্দুদের বাঁচান, এরা জিতে আসলে আমাদের অবস্থা ভয়াবহ হবে।' যুবকদের মধ্যেও প্রচণ্ড রোষ রয়েছে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ার কারণে। আমি বলছি, ২০১১ সালের পরিবর্তনের সময়ও আমি এমন প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া দেখিনি। মানুষ এবার পদ্মফুলের পক্ষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। শিক্ষিত মুসলিম যুবকরাও এবার পরিবর্তন চায়।"
