প্রথম দফার ১৫২ বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ম্যারাথন প্রচার প্রায় শেষ, দ্বিতীয় দফার কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচনী কর্মসূচি সারছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পাশাপাশিই রবিবার থেকে পুরোদমে কলকাতার কেন্দ্রগুলিতে প্রচার শুরু করে দিলেন তিনি। রবিবার, নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগ সারলেন। এদিন সন্ধ্যায় ৭০ নং ওয়ার্ড এলাকার উত্তম উদ্যানে (লেডিজ পার্ক বলে বেশি পরিচিত) গিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বার্তা দেন, সব সম্প্রদায়কে একজোট হয়ে বিজেপিকে হঠাতে হবে। বাংলার এই জনশক্তিকে ভয় পেয়েই কেন্দ্র নিজেদের এজেন্সি দিয়ে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে বলে ফের অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
রবিবার উত্তম উদ্যানে জমায়েত হওয়া ভোটারদের উদ্দেশে তৃণমূলনেত্রী তথা ভবানীপুরের প্রার্থী বলেন, ‘‘বিজেপি ভয় পেয়েছে বলেই বাংলাকে টার্গেট করছে। এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, চাপ তৈরির চেষ্টা করছে।'' এ প্রসঙ্গে তিনি সংসদে মহিলা বিল সংশোধনী পাশ না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘পরশু (শুক্রবার) যেভাবে সংসদে সবাই মিলে বিজেপিকে হারিয়েছে বিরোধীরা সেভাবেই এই বিজেপিকে হারাতে হবে। এই বিজেপিকে দেশ থেকেও যেতে হবে, ওরা সংখ্যালঘু হয়ে গিয়েছে। ভবানীপুরের সব সম্প্রদায়কে একসঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়তে হবে।''
ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এখানে 'ঘরের মেয়ে'। আগে যতবার এখান থেকে লড়েছেন, রেকর্ড ভোটেই জিতেছেন। এবারও তার অন্যথা হবে না বলেই আত্মবিশ্বাসী এখানকার তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে তাতে প্রচারে এতটুকুও খামতি রাখছেন না তাঁরা কেউ। এবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে নিজেই প্রচারে নেমেছেন নেত্রী। আগামী কয়েকদিন তাঁর মোট আটটি পথসভা, রোড শো আছে। তার আগে রবিসন্ধ্যায় একেবারে ঘরোয়াভাবে প্রচার সারলেন মমতা।
উত্তম উদ্যানে জমায়েত হওয়া ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি ভয় পেয়েছে বলেই বাংলাকে টার্গেট করছে। এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, চাপ তৈরির চেষ্টা করছে।'' সম্প্রতি দেবাশিস কুমার-সহ তৃণমূল ঘনিষ্ঠ একাধিক নেতা, ব্যবসায়ীর বাড়ি, অফিসে ইডি এবং আয়কর দপ্তর হানা দিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই মমতার এহেন মন্তব্য। এ প্রসঙ্গে তিনি সংসদে মহিলা বিল সংশোধনী পাশ না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘পরশু (শুক্রবার) যেভাবে সংসদে সবাই মিলে বিজেপিকে হারিয়েছে বিরোধীরা সেভাবেই এই বিজেপিকে হারাতে হবে। এই বিজেপিকে দেশ থেকেও যেতে হবে, ওরা সংখ্যালঘু হয়ে গিয়েছে। ভবানীপুরের সব সম্প্রদায়কে একসঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়তে হবে।''
