'ছাব্বিশের যুদ্ধে' জোট বেঁধেছে হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ও আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম। এখনও পর্যন্ত আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ও মিম ১৯৭ আসেন প্রার্থী ঘোষণা করেছে। রঘুনাথগঞ্জে মিমের প্রার্থী হচ্ছেন দলের রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী বিদায়ী বিধায়ক আখরুজ্জামান। এদিকে জানা গিয়েছে, সোমবার ভরতপুরের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করবেন হুমায়ুন। বুধবার তিনি রেজিনগর ও নওদার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেবেন।
তৃণমূলের সাসপেন্ড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নতুন দল তৈরি করেছেন। জোট বেঁধেছেন মিমের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, এই দুই দল ভোটের যুদ্ধে খুব একটা ছাপ ফেলতে পারবে না। কিন্তু কিছু আসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। কিছু আসনে তৃণমূল ও বিজেপির ভোটে 'থাবা' বসাতে পারে তারা। রাজনীতির পরিভাষায় অনেক সময় এই দলগুলিকে 'ভোট কাটুয়া'ও বলা হয়ে থাকে। তবে এই জোট ভোট কাটলেও মূল লড়াইয়ে তা কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বঙ্গের বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা গিয়েছে সিপিএম বিভিন্ন সময়ে আইএফএফ, এমনকী কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিল। কিন্তু খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। লড়াই হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপিতেই। শেষ হাসি হেসেছে তৃণমূলই। এবারও বঙ্গ রাজনীতিতে একাধিক জোট তৈরি হয়েছে। বামফ্রন্টের সঙ্গে আইএসএফ। মিমের সঙ্গে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির। ভোটের লড়াইয়ে এই দলগুলি কতটা প্রভাব ফেলবে তা সময় বলবে।
