ভোটের মুখে জঙ্গি যোগ সন্দেহে গ্রেপ্তার বাঁকুড়ার এক যুবক। বাঁকুড়ার খাতড়া এলাকায় তেলেঙ্গানা পুলিশের এসটিএফ অভিযান চালায়। তাতেই ধরা পড়ে মীর আসিফ আলি নামে এক যুবক। খড়বন মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ট্রানজিট রিমান্ডে তেলেঙ্গানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। কোন জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে তিনি জড়িত, কী কাজে যুক্ত, এসব জানতেই মীর আসিফ আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে মীরকে গ্রেপ্তার করতে স্থানীয় পুলিশ ও রাজ্য এসটিএফের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। যদিও ছেলের গ্রেপ্তারির খবরে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে মায়ের। কান্নাকাটি করে তিনি জানাচ্ছেন, ছেলের সঙ্গে জঙ্গিযোগ থাকতেই পারে না। সে অতি শান্তশিষ্ট।
জানা যাচ্ছে, গত দু'দিন আগে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় মীর আসিফ আলি নামে বছর কুড়ির যুবকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ISO আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত থেকে বাংলায় মডিউল তৈরির অভিযোগ রয়েছে মীরের বিরুদ্ধে। তদন্তকারীরা ধৃত তিন জঙ্গির মোবাইল ফোন ঘেঁটে তার হদিশ পায়।
খাতড়ার খরবন মোড় এলাকার বাসিন্দা মীর আসিফ আলির বয়স মাত্র ২০ বছর। জানা যাচ্ছে, গত দু'দিন আগে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ISO আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত থেকে বাংলায় মডিউল তৈরির অভিযোগ রয়েছে মীরের বিরুদ্ধে। তদন্তকারীরা ধৃত তিন জঙ্গির মোবাইল ফোন ঘেঁটে তার হদিশ পায়।
গ্রেপ্তারের পর ধৃত যুবককে খাতড়া আদালতে তোলা হলে ট্রানজিট রিমান্ডে অন্ধপ্রদেশ পুলিশ নিয়ে যায় তেলেঙ্গানায়। তার বিরুদ্ধে দেশবিরোধী একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলে খবর। ধৃতের পরিবার অবশ্য জঙ্গিযোগের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পরিবারের লোকজনের দাবি, আসিফ নির্দোষ। এই ধরনের কোনও কাজ সে করতে পারে না। পরিবারের সকলে আসিফের গ্রেপ্তারির খবরে ভেঙে পড়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, আসিফ কাজের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে গিয়েছিল কিন্তু সে এধরনের কাজ করতে পারে না।
উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়েছে যুবক, যুবতীরা। তাদের অনেকের সঙ্গেই আল কায়দা অথবা লস্কর কিংবা জেএমবির মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত লিংকম্যান অথবা নেটওয়ার্ক তৈরির অভিযোগ রয়েছে। এখনও তারা বিচারাধীন। তারই মাঝে বাঁকুড়ার খাতড়া থেকে মীরের গ্রেপ্তারিতে আরও বহু প্রশ্ন উসকে উঠল।
