বঙ্গে আজ, শনিবার ভোট প্রচারে আসছেন রাহুল গান্ধী। পরপর তিনটি সভা রয়েছে তাঁর। প্রথম সভা হুগলির শ্রীরামপুরে প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ জেলার সব প্রার্থীকে নিয়ে। সেখান থেকে কপ্টারে শহিদ মিনারের সভায় যোগ দিতে আসবেন রাহুল গান্ধী। শেষ সভা মেটিয়াবুরুজে। এর মধ্যেই বিজেপির মানিকতলার প্রার্থী তাপস রায় শুক্রবার ফেসবুকে পোস্ট করে লেখেন, লন্ডন কোর্ট জানিয়েছে, নীরব মোদির ব্যাঙ্ক গ্যারেন্টারে সই রয়েছে খোদ রাহুল গান্ধীর। তাঁর কটাক্ষ, 'বোঝ ঠেলা, ডাকাত আবার চৌকিদারকে চোর বলছে!' এর পরই কংগ্রেসের তরফে এর প্রতিবাদ জানিয়ে তাপসের এই দাবিকে পাল্টা ভুয়া বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনে এই পোস্ট ধরে নালিশ জানানো হয় বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
এদিকে এদিন দলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ প্রমোদ তিওয়ারি এবং অখিলেশ প্রসাদ কলকাতায় এসে দাবি করেছেন, রাজ্যে সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে কংগ্রেস। ২০ বছর পর তারা একা লড়ছে। এই প্রেক্ষিতে তৃণমূল এবং বিজেপি উভয়কেই নিশানা করে নেতৃত্ব। প্রমোদ তিওয়ারি এবং অখিলেশ প্রসাদ সিংয়ের বক্তব্য, কংগ্রেস এখানে তৃতীয় শক্তি হিসাবে উঠে আসছে। একযোগে দুজনেই বলেছেন, "এখানে দুই বড় দলের দিকে মূল নজর থাকলেও, কংগ্রেস তৃতীয় শক্তি হিসাবে উঠে এসেছে। কংগ্রেসই আগামিদিনে নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে।"
প্রমোদ তিওয়ারি এবং অখিলেশ প্রসাদ সিংয়ের বক্তব্য, কংগ্রেস এখানে তৃতীয় শক্তি হিসাবে উঠে আসছে। একযোগে দুজনেই বলেছেন, "এখানে দুই বড় দলের দিকে মূল নজর থাকলেও, কংগ্রেস তৃতীয় শক্তি হিসাবে উঠে এসেছে। কংগ্রেসই আগামিদিনে নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে।"
বাংলার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রমোদ তিওয়ারি। সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করে দিল্লির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বলেছেন, "সরাসরি কেন্দ্রের অধীনে থাকা এলাকাতেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কেন ব্যর্থ? আর তৃণমূল এখানে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি, দুর্নীতি আর রাজনৈতিক হিংসাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। দুই দলই বিভাজনের রাজনীতি করছে।" দলের আরেক সাংসদ অখিলেশ বলেছেন, "কংগ্রেস ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে কোনও সরকার গঠন হবে না। রাজ্য বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে একেবারে তলার দিকে চলে গিয়েছে।"
