ভোটমুখী বাংলায় শাসক-বিরোধী বাকযুদ্ধ চলছে। ছাব্বিশের নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) পর ক্ষমতায় এসেই 'এনকাউন্টারে'র দাওয়াই দিয়েছেন বিজেপির রাফ অ্যান্ড টাফ নেতা দিলীপ ঘোষ। এই ইস্যু নিয়ে চলছে জোর তরজা। তারই মাঝে দিলীপের স্ত্রীকে সাবধানে রাখার পরামর্শ তৃণমূলের সায়নী ঘোষের।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “৪ তারিখের পর সব পালটে যাবে। দেখবেন পশ্চিমবাংলায় পরিবর্তন হবেই। যে পুলিশ আজ গুন্ডাদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে, চোর নেতাদের চামচাগিরি করছে, সেই পুলিশ দেখবেন উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে কী রকম এনকাউন্টার করে।”
বৃহস্পতিবার দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরে প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দেন। ওই সভা থেকেই তিনি বলেন, “৪ তারিখের পর সব পালটে যাবে। দেখবেন পশ্চিমবাংলায় পরিবর্তন হবেই। যে পুলিশ আজ গুন্ডাদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছে, চোর নেতাদের চামচাগিরি করছে, সেই পুলিশ দেখবেন উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে কী রকম এনকাউন্টার করে।” এদিকে, আবার এদিনই যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) এবং ব্রাত্য বসু। সেই সময় দিলীপ ঘোষের 'এনকাউন্টার' দাওয়াই প্রসঙ্গ ওঠে। তার পালটা জবাবে ব্রাত্য় বসু বলেন, "দিলীপবাবু ভিতরের কথা বলে দিয়েছেন। ক্ষমতায় এসে ওঁরা বেছে বেছে বাংলাবাসীকে মেরে ফেলবে। তাঁর স্ত্রী-ও যেমন বলেছেন নিউটাউন ও রাজারহাটের প্রার্থীরা ঘাপলার সঙ্গে জড়িত। তাঁরা আসলে পারিবারিক একটা দায়িত্ব নিয়েছেন বিজেপির সত্যি কথা বলা। এটার জন্য আমি ওঁদের অভিনন্দন, ধন্যবাদ জানাই।"
সায়নী বলেন, "আমি বলব ওঁর বউকেও সাবধানে রাখুন। উনি বিজেপির বিরুদ্ধে এত কথা বলছেন, বিজেপিই না ওঁকে প্রথম এনকাউন্টার করে। আমি চাই ওঁরা অনেক বছর বাঁচুন।"
এরপরই সায়নী বলেন, "আমি বলব ওঁর বউকেও সাবধানে রাখুন। উনি বিজেপির বিরুদ্ধে এত কথা বলছেন, বিজেপিই না ওঁকে প্রথম এনকাউন্টার করে। আমি চাই ওঁরা অনেক বছর বাঁচুন।" ব্রাত্য এরপর আরও বলেন, "আমরা চাই ওঁরা অনেক বছর বাঁচুন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। এসব কথা বলবেন না।" যদিও এর পালটা দিলীপ ঘোষ এবং তাঁর স্ত্রী রিঙ্কুর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ভোটমুখী বাংলায় যে ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
