ভোটের (West Bengal Assembly Election) ময়দানে নামলেও সফলতা পাননি। তবে বরাবরই কংগ্রেস নেতৃত্বের আস্থার পাত্র বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিলই। অবশেষে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নিজেই খোলসা করলেন বিষয়টা। তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন না, তা স্পষ্ট করে ভাসিয়ে দিলেন ছেলের নাম। বললেন, "অনেকেই চাইছেন আমার ছেলে আন্দোলন প্রার্থী হোক।" যদিও সিদ্ধান্ত যে হাই কমান্ডের হাতে, তাও মনে করিয়ে দিলেন তিনি।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের ছেলে আন্দোলন। বয়স মাত্র ২৫। বিদেশে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। রাজনীতির প্রতি তাঁর একটা অন্যরকম ভালোবাসা রয়েছে। বর্তমানে বাবাকে একাধিক বিষয়ে পরামর্শ দেন তিনি। সম্ভবত এবার তিনি সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের ছেলে আন্দোলন। বয়স মাত্র ২৫। বিদেশে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। ছোট থেকেই রাজনৈতিক ঘরানায় বেড়ে ওঠা। স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির প্রতি তাঁর একটা অন্যরকম ভালোবাসা রয়েছে। বর্তমানে বাবাকে একাধিক বিষয়ে পরামর্শ দেন তিনি। সম্ভবত এবার তিনি সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন। সোমবার শুভঙ্কর সরকার নিজেই তার ইঙ্গিত দিলেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২৮৪ টি বিধানসভা আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে হাতশিবির। এখনও বাকি ১০ টি। সেই আসনের মধ্যেই রয়েছে শ্রীরামপুর। ২০২১ সালে শ্রীরামপুর আসন থেকেই লড়াই করেছিলেন শুভঙ্কর। ফলে ছাব্বিশেও ওই আসনে তিনিই লড়বেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল।
সোমবার শুভঙ্কর সরকার বলেন, "শ্রীরামপুরের মানুষ চাইছেন আমি প্রার্থী হই। গতবার আমি ৬২ হাজার ভোট পেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে ২৯৪ টা আসন দেখতে হবে। অনেকে বলছেন আমার ছেলে প্রার্থী হোক। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সিদ্ধান্ত নেবেন।" পরিবারতন্ত্র কাঁটায় বারবার বিদ্ধ হয়েছে কংগ্রেস। সোমেন মিত্রের ছেলে রোহন মিত্রও নির্বাচনে প্রতিদ্ধন্দ্বিতা করেছেন। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি ও দীপা দাশমুন্সির ছেলে মিছিলও সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত। সেই তালিকার নবতম সংযোজন হতে চলেছেন শুভঙ্কর সরকারের ছেলে আন্দোলন।
