তিনবারের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও ছাব্বিশের নির্বাচনে টিকিট পাননি। সে জায়গায় এবারের ভোটে চুঁচুড়ায় তৃণমূলের 'সৈনিক' দেবাংশু ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার কালীঘাট থেকে দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বর্ষীয়ান নেতা অসিত মজুমদার। রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অসিত মজুমদারের প্রিয়নগরের বাড়িতে চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দু'জনের।
অসিত মজুমদারের বাড়িতে দেবাংশু ভট্টাচার্য। নিজস্ব চিত্র
দেবাংশু বলেন, "অসিতদা হাতের তালুর মতো চুঁচুড়াকে চেনেন। আর কেউ সেভাবে চেনেন না। দাদার থেকে সাজেশন নিয়েছি। উনি সাজেশন দিয়েছেন। আমি নোট করেছি। আবার দু'দিন পর আসব। দরকার হলে ডায়েরিতে নোট করে নেব।"
কী কথা হল তাঁদের, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জোর জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। বৈঠকের পর দেবাংশু সাংবাদিকদের জানান সেকথা। তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু বলেন, "অসিতদার সঙ্গে পুরনো পরিচয়। আমন্ত্রণে এসেছি। বৈঠক করেছি। স্বাভাবিকভাবে তাঁর সঙ্গে রাজনৈতিক কথাই হবে। কীভাবে চলা উচিত। কীভাবে প্রচার করা উচিত সেই সাজেশন নিয়েছি। তিনি হাতের তালুর মতো চুঁচুড়াকে চেনেন। আর কেউ সেভাবে চেনেন না। দাদার থেকে সাজেশন নিয়েছি। উনি সাজেশন দিয়েছেন। আমি নোট করেছি। আবার দু'দিন পর আসব। দরকার হলে ডায়েরিতে নোট করে নেব।" দেবাংশু আরও বলেন, "তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে প্রণাম করতে আসা। সাজেশন নিতে আসা। আমার তরফ থেকে দাদাকে পাশে থাকার আবেদন করেছি।"
অসিত মজুমদার বলেন, "ও আমার প্রায় সন্তানের মতো। আমার মেয়ের বয়স ৪০। ওর বয়স তার কম। ও অনুরোধ করেছে আমি ওর পাশে আছি। আমি তৃণমূলের প্রার্থী জিতুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের মুখ্যমন্ত্রী হোন আশার আশা এটা। তার জন্য যা করার করব।"
অসিত মজুমদার বলেন, "ও আমার প্রায় সন্তানের মতো। আমার মেয়ের বয়স ৪০। ওর বয়স তার কম। ও অনুরোধ করেছে আমি ওর পাশে আছি। আমি তৃণমূলের প্রার্থী জিতুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের মুখ্যমন্ত্রী হোন আশার আশা এটা। তার জন্য যা করার করব।" একসঙ্গে কি ভোটের ময়দানে দেখা যাবে দেবাংশু ও অসিত মজুমদারকে? জবাবে অসিতবাবু বলেন, "দেখবেন, আজ অথবা কাল নিশ্চয়ই দেখতে পাবেন। সময় বলবে।" অসিত আরও বলেন, "চুঁচুড়া-সহ গোটা রাজ্যে আরও বড় খেলা হবে।" বলে রাখা ভালো, এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা হয়েছে অসিত মজুমদারের। তারপরেই কি মানভঞ্জন হল বর্ষীয়ান নেতার, স্বাভাবিকভাবেই উঠছে সে প্রশ্ন।
