ভোটমুখী বাংলার মানচিত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানকার 'তাজা নেতা' আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) সদ্যই দলবদল করেছেন। যোগ দিয়েছেন বিরোধী শিবির আইএসএফে (ISF)। আর সেদিনই ওই এলাকায় নির্বাচনী কমিটি গঠন তৃণমূলের। ওই কমিটিতে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে মোট সতেরোজন সদস্য রয়েছেন। এই কমিটির ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে বলে মনে করছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
নির্বাচনী কমিটি গঠন তৃণমূলের। ওই কমিটিতে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে মোট সতেরোজন সদস্য রয়েছেন। এই কমিটির ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে বলে মনে করছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
নবগঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান শওকত মোল্লা। কমিটিতে রয়েছেন প্রার্থী বাহারুল ইসলাম। এছাড়া রয়েছেন মুক্তার শেখ, শোয়েব শেখ, সাদেক লস্কর, আবু জফর মীর, এমএম সফি আহমেদ, রাকেশ রায়চৌধুরী, ইসাউদ্দিন সর্দার, সিরাজুল শেখ, হোসেন শেখ, জাহির মোল্লা, রহমান সাহাজি, বিশ্বজিৎ সর্দার, প্রশান্ত নস্কর, হাকিম মিদ্দে, তমসা বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিসিয়াল X হ্যান্ডেলে বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যদের দলের তরফে অভিনন্দন জানানো হয়।
আরাবুল ইসলামের দলবদলের দিনই শওকত মোল্লার নেতৃত্বে কমিটি গঠন কি সত্যিই কাকতালীয়। নাকি 'দলবদলু' আরাবুলকে পরাস্ত করতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হল, স্বাভাবিকভাবে উঠছে সেই প্রশ্ন। যদিও এই বিষয়ে শাসক শিবিরের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে আবার প্রার্থী হিসাবে বাহারুল ইসলামের নাম ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় বিক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে। টায়ার জ্বালিয়ে তৃণমূলের একাংশ বিক্ষোভ দেখায়। বিধায়ক কার্যালয়ের সামনেও চলে বিক্ষোভ কর্মসূচি। তা নিয়ে শওকত মোল্লার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা হয়েছে। আর তারপরই বৃহস্পতিবার নয়া কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির নির্দেশমতো ক্যানিং পূর্বে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ হবে বলে জানিয়েছেন শওকত। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এর ফলে রাজনৈতিক অশান্তি অনেকটাই কমবে। শুধু তাই নয় দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংযোগ রেখে প্রার্থীকে জেতানোই মূল লক্ষ্য ওই কমিটির।
