১৮ বছরের খরা কাটিয়ে গতবছর আইপিএল জিতেছিল আরসিবি। কিন্তু বিরাট কোহলিদের বিজয়োল্লাসে লেগে যায় রক্তের দাগ। সেলিব্রেশনে যোগ দিতে এসে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়। গোটা ঘটনার দায় কার, সেই নিয়েও বিস্তর চাপানউতোর হয়েছে। সেই মর্মান্তিক ঘটনার যন্ত্রণা নিয়েই আবারও আইপিএলে নামতে চলেছে আরসিবি। সূত্রের খবর, এবার আইপিএল চলাকালীন বেঙ্গালুরুতে বড়সড় ভূমিকা নিতে চলেছে এআই।
২৮ মার্চ গতবারের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ দিয়ে আইপিএলের ১৯তম সংস্করণের ঢাকে কাঠি পড়তে চলেছে। জানা গিয়েছে, চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে খেলা হবে সেই ম্যাচ। নানা প্রশাসনিক টানাপোড়েন পেরিয়ে আরসিবির ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পেয়েছে চিন্নাস্বামী। স্টেডিয়ামে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ নিয়মাবলি লাগু হয়েছে। তার সঙ্গেই এবার যোগ হতে চলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সূত্রের খবর, স্টেডিয়ামের প্রত্যেকটি গেটে ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে এআইয়ের হাতে। কোনও গেটের সামনে অতিরিক্ত ভিড় দেখলেই একাধিক এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে। দর্শকদের নিরাপদে আসনে বসিয়ে দেওয়ার পর আবার খোলা হবে গেট।
কর্নাটক সরকারের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্স, দমকল এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা যেন দ্রুত স্টেডিয়ামের ভিতরে পৌঁছতে পারে সেজন্য় থাকছে গ্রিন করিডরের ব্যবস্থা। স্টেডিয়ামের ভিতরে ৪টি এবং বাইরে ৪টি করে অ্যাম্বুল্যান্স মোতায়েন থাকবে। স্থানীয় হাসপাতালগুলিকেও জরুরি পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হবে। গতবারের মতো বিপর্যয় যেন না হয়, সেজন্য সবরকমভাবে চেষ্টা করছে কর্নাটক সরকার।
উল্লেখ্য, প্রশাসনের তরফে বাড়তি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। ৩৫ হাজার দর্শক যাতে সুষ্ঠুভাবে মাঠে ঢুকতে পারে, তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ম্যাচ শুরুর তিন-চার ঘণ্টা আগে সমস্ত গেট খুলে দিতে হবে। মহিলা এবং শিশুদের প্রবেশের জন্য আলাদা ব্যবস্থা-সহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা রাখতে হবে। এবার আরসিবি’র পাঁচটি হোম ম্যাচ হওয়ার কথা চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী ম্যাচ ছাড়াও একটি প্লে-অফ ম্যাচ এবং ফাইনালও হওয়ার কথা বেঙ্গালুরুতে।
