গত শতকের দ্বিতীয় দশকে হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। সেই বিশ্বযুদ্ধের এক সক্রিয় বোমার হদিশ মিলল এক যুবকের পায়ুপথে! দক্ষিণ ফ্রান্সের এক হাসপাতালে মুহূর্তে ছড়াল আতঙ্ক। বিস্ফোরণের আশঙ্কায় দ্রুত খালিও করে দেওয়া হল হাসপাতাল চত্বর। পরে শল্যচিকিৎসা করে সেই বোমা উদ্ধারও করা হয়। তা নিষ্ক্রিয় করতে ডাকা হল বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াড। এমন এক আশ্চর্য ঘটনার কথা জেনে বিস্মিত সকলেই।
ঠিক কী হয়েছিল? প্রচণ্ড অস্বস্তি নিয়ে রানগুয়েইল হাসপাতালে এসেছিলেন ওই ২৪ বছরের যুবক। জানিয়েছিলেন, তিনি একটি বড় বস্তু নিজের পায়ুছিদ্র দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে ফেলেছেন। পরীক্ষা করতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় চিকিৎসকদের। তাঁরা বুঝতে পারেন, যুবকটির পায়ুপথে আটকে থাকা বস্তুটি কোনও সাধারণ বস্তু নয়, তা বোমা! দ্রুত হাসপাতাল চত্বর খালি করে দেওয়া হয়। এরপর সেই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয় অপারেশন থিয়েটারে। তাঁর গুহ্যদ্বার থেকে বের করা হয় ১৯১৮ সালের ছুচালো আকারের বোমাটি। যেহেতু বোমাটি তখনও ফাটেনি, তাই দ্রুত খবর দেওয়া হয় বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াডে। পরে জানা গিয়েছে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে জার্মান সেনা পিতল ও তামার তৈরি ৩৭ মিমি ক্যালিবারের এই শেলটি ব্যবহার করেছিল। সেটাকে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সক্রিয় বোমার হদিশ মিলল এক যুবকের পায়ুপথে! দক্ষিণ ফ্রান্সের হাসপাতালে মুহূর্তে ছড়াল আতঙ্ক। দ্রুত খালিও করে দেওয়া হল হাসপাতাল চত্বর।
কিন্তু এমন এক ঐতিহাসিক বস্তু কী করে গেল ওই যুবকের পায়ুপথে? তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। এই মুহূর্তে ওই যুবক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, যুবকটি সুস্থ হলেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেক্ষেত্রে এই রহস্যের সমাধান করা যাবে। সম্ভবত ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করা হতে পারে।
