ভালো খারাপ নিয়ে মানুষ। ১০০ শতাংশ ত্রুটিমুক্ত কেউই নন। তবে অধিকাংশই বিশ্বাস করেন সজ্ঞানে বা অজ্ঞাতসারে যদি অপরাধ বা পাপ করেও থাকেন ঈশ্বরের পায়ে নিজেকে সমর্পণ করলেই মেলে মুক্তি। প্রাচীন কাল থেকেই সকলের বিশ্বাস, নিয়মিত পুজোপাঠ, তীর্থযাত্রায় পুণ্যলাভ হয়। কিন্তু প্রেমানন্দ মহারাজ কিন্তু বলছেন অন্য কথা। কিছু মানুষ যত পুজোপাঠই করুন না কেন, কোনওদিনই কাঙ্খিত পুণ্য অর্জন করতে পারেন না তাঁরা। জানেন তাঁরা কারা? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী বলেছেন প্রেমানন্দ মহারাজ।
প্রেমানন্দ মহারাজের মুখে সবসময় শোনা যায় ঈশ্বরের কাছে নিজেকে সমর্পণের কথা। ঈশ্বরের কাছে মনের কথা উজার করে দেওয়ার পরামর্শই তিনি দেন সর্বদা। চাইলেই ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায় না। কাঙ্খিত পুণ্য অর্জন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনিই। প্রেমানন্দ মহারাজের কথায়, অনেকেই আছেন যারা সর্বদা মন্দ কাজই করেন। ভুলবশত নয়, জেনে শুনেই মানুষের ক্ষতি করেন অনেকে। দিনভর মাথায় ঘোরে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা। অন্যের ক্ষতির প্রার্থনা নিয়ে অনেকেই মন্দিরে যান। ভক্ত হওয়ার অভিনয় করেন। প্রেমানন্দ মহারাজের সাফ কথা, মন শুদ্ধ না হলে, ছলনার আশ্রয় নিলে হাজারও পুজো করলেও কোনও লাভ হবে না।
প্রেমানন্দ মহারাজের কথায়, অনেকেই আছেন যারা সর্বদা মন্দ কাজই করেন। ভুলবশত নয়, জেনে শুনেই মানুষের ক্ষতি করেন অনেকে। দিনভর মাথায় ঘোরে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা। অন্যের ক্ষতির প্রার্থনা নিয়ে অনেকেই মন্দিরে যান। ভক্ত হওয়ার অভিনয় করেন। প্রেমানন্দ মহারাজের সাফ কথা, মন শুদ্ধ না হলে, ছলনার আশ্রয় নিলে হাজারও পুজো করলেও কোনও লাভ হবে না।
প্রেমানন্দ মহারাজের কথায়, "প্রত্যেকের হৃদয়ে ঈশ্বরের বাস। তাই তাঁর কাছে কেউ কিছুই লুকোনো যায় না। সর্বশক্তিমান সবটা জানেন। অন্য যে কারও কাছে সত্যটা গোপন করা গেলেও ঈশ্বরের কাছে কিছু গোপন করা অসম্ভব। তাই ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে, তাঁর আর্শীবাদ পেতে হলে সকলকে ভাবনাচিন্তা শুদ্ধ করতে হবে। লোক দেখাতে বা কোনও স্বার্থসিদ্ধির জন্য নয়, মন থেকে ঈশ্বরকে ডাকতে হবে। তাহলেই মিলবে আশীর্বাদ।"
