সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চারটি নয়। পাঁচটি পা নিয়ে জন্মেছে এক বাছুর। আর তাতেই গ্রামের মানুষের কাছে সে হয়ে উঠেছে ঈশ্বরের দূত।
কথায় বলে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। আর বিশ্বাস থেকেই জন্ম নেয় নানা কুসংস্কার। সেই অন্ধবিশ্বাসে ভর করেই কখনও ছাগল জায়গা করে নেয় মন্দিরে, তো কখনও বাছুরকে পুজো করা হয়। সম্প্রতি মানুষের মতো মুখ নিয়ে জন্মানো এক বাছুরকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। দেবতা হিসেবে তার পুজোও শুরু করে দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। ফের একইভাবে নজর কাড়ল অসমের একটি গ্রামের এক বাছুর। কেন? কারণ শারীরিকভাবে আর পাঁচটি বাছুরের চেয়ে সে আলাদা। পাঁচটি পা নিয়ে জন্মেছে সে। গ্রামবাসীদের তাই বিশ্বাস এই বাছুর দেবতার প্রতিনিধি। তার হাত ধরেই গ্রামে ফিরবে সৌভাগ্য।
[এবার মুম্বইতে লাইনচ্যুত লোকাল ট্রেন, তীব্র আতঙ্কে যাত্রীরা]
বাছুরের মালিক আলি প্রথম দেখায় চমকে গিয়েছিলেন। বলছেন, “নিজের চোখকে বিশ্বাস হয়নি প্রথমে। আসলে এমন পাঁচটি পায়ের বাছুর আগে কখনও দেখিনি। বাছুরের পিঠের দিক থেকে একটি পা বেরিয়েছে।” অন্যরকম দেখতে হওয়ায় প্রথমে আলি ভেবেছিলেন বাছুরটি হয়তো বাঁচবে না। কিন্তু সে দিব্যি সুস্থ স্বাভাবিক আছে। তারপর থেকেই বাছুরকে পুজো করতে শুরু করেছে গ্রামবাসীরা। অন্ধবিশ্বাসে ভর করে স্থানীয়রা বাছুরকে যতই দেবতার আসনে বসান না কেন, এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিকিতসকরা। তাঁদের মতে, হয়তো গরু জোড়া বাছুর গর্ভে ধারণ করেছিল। সেক্ষেত্রে প্রসবের সময় ডিম্বাণু সম্পূর্ণরূপে আলাদা না হলে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থেকে যায়।
[বাজারে ২০০ টাকার নয়া নোট, জেনে নিন এই ১৭টি বৈশিষ্ট্য]
ছবি: প্রতীকী
The post বাছুরের পাঁচটি পা আনবে সৌভাগ্য, পুজো শুরু গ্রামবাসীদের appeared first on Sangbad Pratidin.
